দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

চাঁদ খোসাল মসজিদের দান বাক্সে ৬ মাসে জমা ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা

চাঁদ খোসাল মসজিদের দান বাক্সে ৬ মাসে জমা ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা
চাঁদ খোসাল মসজিদের দানবাক্সের অর্থ গণনা

মুঘল আমলের অনন্য নিদর্শন চাঁদ খোসাল মসজিদের দান বাক্সে ৬ মাসে জমা পড়েছে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬০ টাকা। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ি গ্রামে তিন গম্বুজবিশিষ্ট ঐতিহাসিক এ মসজিদটি অবস্থিত। ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া ও সেক্রোটারি থানার ওসি লুৎফর রহমানের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দান বাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মসজিদের ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান, সদস্য  রুহুল আমিন, আজিজুল ইসলাম, নাছরুল ইসলাম ও জগদীশ চন্দ্র প্রমুখ। জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের মুসল্লিসহ অন্য ধর্মের লোকজন টাকাসহ বিভিন্ন জিনিস মান্নত করেন। মান্নতের টাকা ও জিনিসপত্র নিয়ে ২০১৪ সালে মসজিদ কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেওয়ায় তৎকালীন ইউএনও সিদ্দিকুর রহমান মসজিদটির দেখভালের দায়িত্ব নেন। তিনি নিজেই সভাপতি ও থানার ওসিকে সেক্রেটারি করে মসজিদের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে দানবক্সের টাকা ব্যাংকে রাখার পদ্ধতি চালু করেন।

আরও পড়ুন, গাইবান্ধায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসিফ সরকার গ্রেপ্তার

মসজিদের ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান জানান, দান বাক্স থেকে পাওয়া আগের ৯০ লাখ টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। মুসল্লিদের জায়গা সংকটের কারণে একই স্থানে মসজিদ নির্মাণে ৫ তলার স্টিমেট করা হয়েছে। তবে চিটাগুড়, চুন-সুরকি ও পোড়ামাটি দিয়ে নির্মিত আগের তিন গম্বুজবিশিষ্ট স্থাপত্যশৈলী অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হবে।

বিষয় : কিশোরগঞ্জ মসজিদ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


চাঁদ খোসাল মসজিদের দান বাক্সে ৬ মাসে জমা ৮ লাখ ৯৪ হাজার টাকা

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

মুঘল আমলের অনন্য নিদর্শন চাঁদ খোসাল মসজিদের দান বাক্সে ৬ মাসে জমা পড়েছে ৮ লাখ ৯৪ হাজার ৭৬০ টাকা। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার ভেড়ভেড়ি গ্রামে তিন গম্বুজবিশিষ্ট ঐতিহাসিক এ মসজিদটি অবস্থিত। ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি ইউএনও তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া ও সেক্রোটারি থানার ওসি লুৎফর রহমানের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার দান বাক্স খুলে টাকা গণনা করা হয়।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- মসজিদের ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান, সদস্য  রুহুল আমিন, আজিজুল ইসলাম, নাছরুল ইসলাম ও জগদীশ চন্দ্র প্রমুখ। জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের মুসল্লিসহ অন্য ধর্মের লোকজন টাকাসহ বিভিন্ন জিনিস মান্নত করেন। মান্নতের টাকা ও জিনিসপত্র নিয়ে ২০১৪ সালে মসজিদ কমিটির মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দেওয়ায় তৎকালীন ইউএনও সিদ্দিকুর রহমান মসজিদটির দেখভালের দায়িত্ব নেন। তিনি নিজেই সভাপতি ও থানার ওসিকে সেক্রেটারি করে মসজিদের নামে অ্যাকাউন্ট খুলে দানবক্সের টাকা ব্যাংকে রাখার পদ্ধতি চালু করেন।

আরও পড়ুন, গাইবান্ধায় জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আসিফ সরকার গ্রেপ্তার

মসজিদের ক্যাশিয়ার মজনুর রহমান জানান, দান বাক্স থেকে পাওয়া আগের ৯০ লাখ টাকা ব্যাংকে গচ্ছিত রয়েছে। মুসল্লিদের জায়গা সংকটের কারণে একই স্থানে মসজিদ নির্মাণে ৫ তলার স্টিমেট করা হয়েছে। তবে চিটাগুড়, চুন-সুরকি ও পোড়ামাটি দিয়ে নির্মিত আগের তিন গম্বুজবিশিষ্ট স্থাপত্যশৈলী অক্ষুণ্ণ রেখে নতুন মসজিদ নির্মাণ করা হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত