প্রায় এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগের বিচার শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)।‘বৈশ্বিক আদালত’ নামে পরিচিত এই আদালতে সোমবার (১২ জানুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে, যা টানা তিন সপ্তাহ চলবে।স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই শুনানি বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা থেকে কার্যকর হবে। মামলাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকা জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কাঠামো ।
আরো পড়ুন , ইরানের বিক্ষোভে নিহতদের সম্মানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, দীর্ঘদিনের এই মামলার বিচারপর্ব এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে।মামলার গুরুত্ব তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্তৃপক্ষ বলছে, গণহত্যা কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, এমন অপরাধের অভিযোগ কীভাবে যাচাই ও প্রমাণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের পথ কী—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ধারণে এই বিচার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক মহল এই শুনানির দিকে গভীর নজর রাখছে। বহু বছর ধরে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে এই বিচারপর্ব নতুন আশার আলো জাগাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬
প্রায় এক দশকের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগের বিচার শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বিচারিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিসে (আইসিজি)।‘বৈশ্বিক আদালত’ নামে পরিচিত এই আদালতে সোমবার (১২ জানুয়ারি) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে মামলার শুনানি শুরু হচ্ছে, যা টানা তিন সপ্তাহ চলবে।স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু হওয়া এই শুনানি বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা থেকে কার্যকর হবে। মামলাটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তদন্ত প্রক্রিয়ার দায়িত্বে থাকা জাতিসংঘের স্বাধীন তদন্ত কাঠামো ।
আরো পড়ুন , ইরানের বিক্ষোভে নিহতদের সম্মানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক
‘ইউএন ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইনভেস্টিগেটিভ মেকানিজম ফর মিয়ানমার’-এর প্রধান নিকোলাস কৌমজিয়ান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন, দীর্ঘদিনের এই মামলার বিচারপর্ব এখন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে।মামলার গুরুত্ব তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট তদন্ত কর্তৃপক্ষ বলছে, গণহত্যা কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে, এমন অপরাধের অভিযোগ কীভাবে যাচাই ও প্রমাণ করা যায় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিতের পথ কী—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ধারণে এই বিচার একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংগঠন ও আন্তর্জাতিক মহল এই শুনানির দিকে গভীর নজর রাখছে। বহু বছর ধরে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ন্যায়বিচার পাওয়ার ক্ষেত্রে এই বিচারপর্ব নতুন আশার আলো জাগাচ্ছে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন