কেউ চকলেট খাচ্ছিলেন, কেউবা আবার করছিলেন খুনসুটি। কেউবা ফিরে গিয়েছিলেন সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিতে। হারানো সেই দিনগুলো গল্প নিয়ে পসরা বিছিয়েছিলেন পঞ্চাশোর্দ্ধ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। তাদের মুখে ছিল শুধুই পুরোনো দিনের গল্প। কেউ কেউ আবার তাদের শ্রেণীকক্ষে বসে সেলফি তুলছিলেন। পুরো মাঠজুড়ে প্রাণের মিলনমেলা জমে উঠেছিল সংসারের নানা গল্প নিয়ে। এভাবেই হাসি-কান্নায় কেটে যায় সারাদিন। তাদের এই মিলনমেলায় যোগ দিয়েছিলেন গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। এসো বন্ধু স্মৃতির আঙ্গিনায়, প্রীতির বন্ধনে- এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুধু প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাই নয় বর্তমানে অধ্যানয়রত শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন।
এই ১২০ বর্ষ পূর্তিতে। অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও আনন্দে মাতিয়ে তুলেছেন প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গন। স্মৃতির গল্প আর ঘা গানে গানে মুখরিত হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়। নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার বালুয়াকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাকজমকপূর্ণ এমন গৌরবময় ১২০ বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান এলাকাবাসীর মন কেড়েছে। এই বর্ষপূর্তি বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে আজ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাভিশন এর প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিক প্রথমে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানে উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সকলের উপস্থিততে বিদ্যালয় চত্বরে আলোচনা সভা।
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধি বিধান বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
এতে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার হেলাল উদ্দিন, সদস্য সচিব এস এম শরীফ আহম্মেদ, কোষাধক্ষ্য হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা উপ- কমিটির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক, আহ্বায়ক জামিল হোসেন মিস্টার, মঞ্চ ও ডেকোরেশন উপ-কমিটির সদস্য সচিব ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম, আহ্বায়ক মাসুম মৃধা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান সরকার, রাজুকের উপ-পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক বিশিষ্ট শিল্পপতি মো: আতাউর রহমান মিঠুসহ শত শত শিক্ষার্থীগণ।
আরও পড়ুন, রায়পুরাতে আমার কোন আত্মীয় নেই, সবাই আমার আপনজন: ওসি মজিবুর রহমান
বক্তব্যের অতিথিরা বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি বছরের পর বছর ধরে ভালো মানুষ গড়ার অবদান রেখে যাচ্ছে। পাশাপাশি এলাকাটি শিক্ষানগরী এলাকায় পরিণত করতে ভুমিকা রাখছেন। এই বিদ্যালয় থেকে অনেকে শিক্ষালাভ করে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টি বরাবরই ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে। ভবিষ্যতে আরো ভালো করবে এমনটাই আমরা প্রত্যাশা করি। অনুষ্ঠানে অতিথিদের মাঝে ক্রেস্ট এবং লটারি মাধ্যমে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সেখানে বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্পীগণ গান পরিবেশেন করেন।
বিষয় : মিলনমেলা বালুয়াকান্দি

সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫
কেউ চকলেট খাচ্ছিলেন, কেউবা আবার করছিলেন খুনসুটি। কেউবা ফিরে গিয়েছিলেন সেই পুরোনো দিনের স্মৃতিতে। হারানো সেই দিনগুলো গল্প নিয়ে পসরা বিছিয়েছিলেন পঞ্চাশোর্দ্ধ প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। তাদের মুখে ছিল শুধুই পুরোনো দিনের গল্প। কেউ কেউ আবার তাদের শ্রেণীকক্ষে বসে সেলফি তুলছিলেন। পুরো মাঠজুড়ে প্রাণের মিলনমেলা জমে উঠেছিল সংসারের নানা গল্প নিয়ে। এভাবেই হাসি-কান্নায় কেটে যায় সারাদিন। তাদের এই মিলনমেলায় যোগ দিয়েছিলেন গ্রামের সর্বস্তরের মানুষ। এসো বন্ধু স্মৃতির আঙ্গিনায়, প্রীতির বন্ধনে- এই স্লোগানকে সামনে রেখে শুধু প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাই নয় বর্তমানে অধ্যানয়রত শিক্ষার্থীরাও যোগ দিয়েছেন।
এই ১২০ বর্ষ পূর্তিতে। অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকারাও আনন্দে মাতিয়ে তুলেছেন প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গন। স্মৃতির গল্প আর ঘা গানে গানে মুখরিত হয়েছিল ঐতিহ্যবাহী বালুয়াকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়। নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার বালুয়াকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ে জাকজমকপূর্ণ এমন গৌরবময় ১২০ বর্ষপূর্তি উদযাপন অনুষ্ঠান এলাকাবাসীর মন কেড়েছে। এই বর্ষপূর্তি বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে আজ দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের প্রধান উপদেষ্টা ও বাংলাভিশন এর প্রধান সম্পাদক ড. আবদুল হাই সিদ্দিক প্রথমে ফিতা কেটে অনুষ্ঠানে উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পরে জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় সকলের উপস্থিততে বিদ্যালয় চত্বরে আলোচনা সভা।
আরও পড়ুন, নরসিংদীতে তামাক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত বিধি বিধান বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
এতে অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক খন্দকার হেলাল উদ্দিন, সদস্য সচিব এস এম শরীফ আহম্মেদ, কোষাধক্ষ্য হাবিবুর রহমান হাবিব, যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান, অর্থ ও পরিকল্পনা উপ- কমিটির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রফিক, আহ্বায়ক জামিল হোসেন মিস্টার, মঞ্চ ও ডেকোরেশন উপ-কমিটির সদস্য সচিব ডাক্তার জাহাঙ্গীর আলম, আহ্বায়ক মাসুম মৃধা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হাসানুজ্জামান সরকার, রাজুকের উপ-পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম, বিশিষ্ট লেখক ও গবেষক বিশিষ্ট শিল্পপতি মো: আতাউর রহমান মিঠুসহ শত শত শিক্ষার্থীগণ।
আরও পড়ুন, রায়পুরাতে আমার কোন আত্মীয় নেই, সবাই আমার আপনজন: ওসি মজিবুর রহমান
বক্তব্যের অতিথিরা বলেন, এই প্রতিষ্ঠানটি বছরের পর বছর ধরে ভালো মানুষ গড়ার অবদান রেখে যাচ্ছে। পাশাপাশি এলাকাটি শিক্ষানগরী এলাকায় পরিণত করতে ভুমিকা রাখছেন। এই বিদ্যালয় থেকে অনেকে শিক্ষালাভ করে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উচ্চ পর্যায়ে কর্মরত আছেন। বিদ্যালয়টি বরাবরই ভালো ফলাফল অর্জন করে আসছে। ভবিষ্যতে আরো ভালো করবে এমনটাই আমরা প্রত্যাশা করি। অনুষ্ঠানে অতিথিদের মাঝে ক্রেস্ট এবং লটারি মাধ্যমে বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরন করা হয়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সেখানে বাংলাদেশের স্বনামধন্য শিল্পীগণ গান পরিবেশেন করেন।

আপনার মতামত লিখুন