নারিকেল তেল: ৩–৫ চা চামচ হালকা গরম নারিকেল তেল মাথায় মালিশ করুন। এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করুন। নারিকেল তেলে থাকা লরিক অ্যাসিড ত্বককে আর্দ্রতা দেয় ও ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের সংক্রমণ কমায়।
অ্যালোভেরা জেল: শ্যাম্পুর আগে মাথার ত্বকে অ্যালোভেরা ম্যাসাজ করুন। এটি খুশকি দূর করতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি সেবোরিক ডার্মাটাইটিসেও কার্যকর।
আপেল সিডার ভিনেগার: এক চতুর্থাংশ কাপ আপেল সিডার ভিনেগার ও এক চতুর্থাংশ কাপ পানি মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগান। ১৫ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি মাথার শুষ্কতা কমাতে সহায়তা করে।
লেবুর রস: ২ চা চামচ লেবুর রস মাথায় ঘষুন। কয়েক মিনিট পরে ধুয়ে ফেলুন। এরপর ১ কাপ পানিতে এক চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে ঢালুন। লেবুর অ্যাসিড মাথার পিএইচ স্তর ভারসাম্য রাখে।
আরও পড়ুন, স্যান্ডহার্স্টে সেরা আন্তর্জাতিক ক্যাডেট শাকিব আহসান রিফাত
অলিভ অয়েল: হালকা গরম কয়েক ফোঁটা অলিভ তেল মাথায় লাগিয়ে শাওয়ার ক্যাপ দিয়ে ঘুমান। সকালে চুল শ্যাম্পু করুন। এটি চুলকে ময়েশ্চারাইজ করে।
ট্রি ট্রি অয়েল: গবেষণায় দেখা গেছে, এটি খুশকি কমাতে কার্যকর।
আয়ুর্বেদিক উপায়: নিম, মেথি, ভৃঙ্গরাজ, জবা ফুল, আমলকি খুশকির জন্য উপকারী। নিম ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস নাশক। সপ্তাহে তিনদিন নিমের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। জবা ফুলের নির্যাস খুশকি দূর ও চুল কালো রাখতে সাহায্য করে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ঘন ঘন হেয়ার স্প্রে বা জেল ব্যবহার খুশকি বাড়াতে পারে। তাই প্রাকৃতিক তেল বা হালকা লিভ-ইন সিরাম ব্যবহার করাই ভালো। নিয়মিত যত্ন, ঘরোয়া প্যাক ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলেই চুল খুশকিমুক্ত ও প্রাণবন্ত রাখা সম্ভব।
আপনার মতামত লিখুন