নতুন সূর্যোদয়ের আলোয় মিশে গেল পুরোনো বছরের স্মৃতি। বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাকডাকা ভোরে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি ও লালকাঁকড়ার চরে উপস্থিত হন হাজারো পর্যটক। ঘন কুয়াশার কারণে বিশেষ মুহূর্তটি উপভোগ করতে না পারলেও সৈকতে আছড়ে পড়া ছোট ছোট ঢেউ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ তারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন বছরের সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে গোটা সৈকত। আগত পর্যটকরা হইহুল্লোড়ে মেতে ছিলেন। অনেকে সমুদ্রের ঠান্ডা পানিতে পা ভেজাচ্ছিলেন। আবার অনেকে ঘোড়াসহ বিভিন্ন বাহনে চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে দেখছিলেন।
পর্যটকরা জানান, পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে তারা কুয়াকাটা এসেছেন। লেম্বুরবন এলাকা থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করেছেন। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে বছরের প্রথম সূর্যোদয় উপভোগ করতে না পারলেও শিশিরে ভেজা সকালের সঙ্গে লালকাঁকড়ার ছুটোছুটি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে মুগ্ধ তারা। পর্যটক দম্পতি জলিল-সুমাইয়া বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যোদয় উপভোগ করতে পারিনি। কিন্তু কুয়াশায় আবদ্ধ সকাল এবং শিশিরভেজা গাছপালা দেখে অনেক ভালো লেগেছে। এ ছাড়া বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পেরেছি। এ এক দারুণ দৃশ্য! বলে বোঝানো যাবে না।
আরও পড়ুন, সিরাজগঞ্জে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে মাদ্রাসার প্রধানকে জরিমানা
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনস অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা কুয়াকাটার সব ব্যবসায়ীরা শোকাহত। তার মৃত্যুর কারণে এ বছর কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা অনেকটা কম। তারপরও নতুন বছরের প্রথম দিন কুয়াকাটার প্রায় ৭০ ভাগ হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং রয়েছে। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, সূর্যোদয়ের স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
নতুন সূর্যোদয়ের আলোয় মিশে গেল পুরোনো বছরের স্মৃতি। বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাকডাকা ভোরে পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটার সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি ও লালকাঁকড়ার চরে উপস্থিত হন হাজারো পর্যটক। ঘন কুয়াশার কারণে বিশেষ মুহূর্তটি উপভোগ করতে না পারলেও সৈকতে আছড়ে পড়া ছোট ছোট ঢেউ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ তারা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন বছরের সূর্যের আলোয় উজ্জ্বল হয়ে ওঠে গোটা সৈকত। আগত পর্যটকরা হইহুল্লোড়ে মেতে ছিলেন। অনেকে সমুদ্রের ঠান্ডা পানিতে পা ভেজাচ্ছিলেন। আবার অনেকে ঘোড়াসহ বিভিন্ন বাহনে চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ঘুরে দেখছিলেন।
পর্যটকরা জানান, পুরোনো বছরকে বিদায় এবং নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে তারা কুয়াকাটা এসেছেন। লেম্বুরবন এলাকা থেকে সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করেছেন। কিন্তু ঘন কুয়াশার কারণে বছরের প্রথম সূর্যোদয় উপভোগ করতে না পারলেও শিশিরে ভেজা সকালের সঙ্গে লালকাঁকড়ার ছুটোছুটি এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে মুগ্ধ তারা। পর্যটক দম্পতি জলিল-সুমাইয়া বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে সূর্যোদয় উপভোগ করতে পারিনি। কিন্তু কুয়াশায় আবদ্ধ সকাল এবং শিশিরভেজা গাছপালা দেখে অনেক ভালো লেগেছে। এ ছাড়া বছরের শেষ সূর্যাস্ত উপভোগ করতে পেরেছি। এ এক দারুণ দৃশ্য! বলে বোঝানো যাবে না।
আরও পড়ুন, সিরাজগঞ্জে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনে মাদ্রাসার প্রধানকে জরিমানা
ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশনস অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা কুয়াকাটার সব ব্যবসায়ীরা শোকাহত। তার মৃত্যুর কারণে এ বছর কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা অনেকটা কম। তারপরও নতুন বছরের প্রথম দিন কুয়াকাটার প্রায় ৭০ ভাগ হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং রয়েছে। কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, সূর্যোদয়ের স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ট্যুরিস্ট পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন