জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ।সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।জিয়াউল আহসানকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম।
আরো পড়ুন , ভোটের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ৭ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা দুর্নীতি মামলায় ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (বরখাস্ত) জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।বুধবার দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আবেদন মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজ।সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য জানান।জিয়াউল আহসানকে আদালতে হাজির করে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করেছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. হাফিজুল ইসলাম।
আরো পড়ুন , ভোটের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার ৭ দিন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন
জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে গত বছরের ২৩ জানুয়ারি দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাউদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।মামলার অভিযোগে বলা হয়, জিয়াউল আহসান নিজ নামে জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ ২২ কোটি ২৭ লাখ ৭৮ হাজার ১৪২ টাকার সম্পদ অর্জন করেন।গাইডলাইন অব ফরেন এক্সচেঞ্জ ট্রানজেকশন-২০১৮ ও ২০২০ সালের এফইপিডি সার্কুলার-৬ অনুযায়ী বর্তমান অনুমোদিত সীমা লঙ্ঘন করে নিজের ব্যাংক হিসাবে ৫৫ হাজার মার্কিন ডলার জমা করেন। বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করে স্ত্রী নুসরাত জাহানের সহযোগিতা ও যোগসাজশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তর করেন।

আপনার মতামত লিখুন