চট্টগ্রামে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পর গায়েব করার ঘটনায় এক পরিদর্শক ও দুই উপপরিদর্শক (এসআই)-সহ ১০ জন পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। রোববার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। সোমবার জড়িতদের মধ্যে দুই এসআইসহ ৮ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।পুলিশ কনস্টেবলের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারের পর তা গায়েব করা সংক্রান্ত । ২২ ডিসেম্বর এই সংবাদ প্রকাশের পর এ নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিএমপি। একই সঙ্গে ২৩ ডিসেম্বর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি পৃথক ‘মিস কেস’ নথি খোলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদ। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ১০ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন , পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত তাপমাত্রা নেমে ৮ ডিগ্রি
অভিযুক্ত ১০ পুলিশ সদস্য হলেন-বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, সেকেন্ড অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার, এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন (বর্তমানে কোতোয়ালি থানায় কর্মরত), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, এনামুল হক, কনস্টেবল মো. রাশেদুল হাসান ভূঞা, নারী কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্না এবং কক্সবাজার আদালতের এক নারী বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন। এর মধ্যে ইনস্পেকটর তানভীর আহমেদ ও পুলিশ কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন ছাড়া বাকিদের বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে নগরীর শাহ আমানত (নতুন ব্রিজ) সেতুর বাকলিয়া থানার অংশে ঢাকাগামী দেশ ট্রাভেলস নামের একটি বাসে তল্লাশি চালায় পুলিশ। বাসটি কক্সবাজার থেকে ওইদিন রাত সোয়া ১০টায় ছেড়ে এসেছিল। পরে বাস থেকে ইমতিয়াজ হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ বক্সের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়। তার সঙ্গে থাকা একটি ট্রলি তল্লাশি করে পুলিশ নয় বক্স ইয়াবা উদ্ধার করে। প্রতিটি বক্সে ১০ হাজার করে ৯ বক্সে ৯০ হাজার ইয়াবা ছিল।
বিষয় : চট্টগ্রাম ইয়াবা তদন্ত পুলিশ বরখাস্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬
চট্টগ্রামে ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের পর গায়েব করার ঘটনায় এক পরিদর্শক ও দুই উপপরিদর্শক (এসআই)-সহ ১০ জন পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত কমিটি। রোববার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনারের এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। সোমবার জড়িতদের মধ্যে দুই এসআইসহ ৮ জনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।পুলিশ কনস্টেবলের কাছ থেকে ইয়াবা উদ্ধারের পর তা গায়েব করা সংক্রান্ত । ২২ ডিসেম্বর এই সংবাদ প্রকাশের পর এ নিয়ে তদন্ত শুরু করে সিএমপি। একই সঙ্গে ২৩ ডিসেম্বর স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি পৃথক ‘মিস কেস’ নথি খোলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এসএম আলাউদ্দিন মাহমুদ। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর ১০ পুলিশ সদস্যকে বরখাস্ত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আরো পড়ুন , পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে শীত তাপমাত্রা নেমে ৮ ডিগ্রি
অভিযুক্ত ১০ পুলিশ সদস্য হলেন-বাকলিয়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) তানভীর আহমেদ, সেকেন্ড অফিসার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আল-আমিন সরকার, এসআই মোহাম্মদ আমির হোসেন (বর্তমানে কোতোয়ালি থানায় কর্মরত), সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সাইফুল আলম, মো. জিয়াউর রহমান, মো. সাদ্দাম হোসেন, এনামুল হক, কনস্টেবল মো. রাশেদুল হাসান ভূঞা, নারী কনস্টেবল উম্মে হাবিবা স্বপ্না এবং কক্সবাজার আদালতের এক নারী বিচারকের গানম্যান কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন। এর মধ্যে ইনস্পেকটর তানভীর আহমেদ ও পুলিশ কনস্টেবল ইমতিয়াজ হোসেন ছাড়া বাকিদের বরখাস্ত করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর রাত ২টার দিকে নগরীর শাহ আমানত (নতুন ব্রিজ) সেতুর বাকলিয়া থানার অংশে ঢাকাগামী দেশ ট্রাভেলস নামের একটি বাসে তল্লাশি চালায় পুলিশ। বাসটি কক্সবাজার থেকে ওইদিন রাত সোয়া ১০টায় ছেড়ে এসেছিল। পরে বাস থেকে ইমতিয়াজ হোসেন নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ বক্সের ভেতর নিয়ে যাওয়া হয়। তার সঙ্গে থাকা একটি ট্রলি তল্লাশি করে পুলিশ নয় বক্স ইয়াবা উদ্ধার করে। প্রতিটি বক্সে ১০ হাজার করে ৯ বক্সে ৯০ হাজার ইয়াবা ছিল।

আপনার মতামত লিখুন