তীব্র শীতে নাকাল যশোরের জনজীবন। টানা দুই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার পর রোববার তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সারাদিন যশোরে সূর্যের দেখা মেলেনি। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা। সকালে মেঘলা আকাশে সূর্য উঁকি দেয়নি। চার দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ।যশোর বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আরো পড়ুন, রেললাইনের পাত সরানোর কারণে গফরগাঁওয়ে ট্রেন লাইনচ্যুত
রোববার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শুক্রবার ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। ভোর থেকেই জেলার আকাশ ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন ও মেঘে ঢাকা। প্রচণ্ড ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমজীবীরা। বিশেষ করে ভোর থেকে কাজে বের হওয়া দিনমজুর, ভ্যানচালক ও শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।প্রচণ্ড শীতের কারণে মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট ও মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জবুথবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড়কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। তবে ঘর থেকে বের হলেও কাজ মিলছে না শ্রমজীবী মানুষের।

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫
তীব্র শীতে নাকাল যশোরের জনজীবন। টানা দুই দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড হওয়ার পর রোববার তাপমাত্রা কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও সারাদিন যশোরে সূর্যের দেখা মেলেনি। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল থেকে ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় জবুথবু অবস্থা। সকালে মেঘলা আকাশে সূর্য উঁকি দেয়নি। চার দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে শ্রমজীবী মানুষ।যশোর বিমান বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।
আরো পড়ুন, রেললাইনের পাত সরানোর কারণে গফরগাঁওয়ে ট্রেন লাইনচ্যুত
রোববার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শনিবার ৮ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও শুক্রবার ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়, যা সারা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল। ভোর থেকেই জেলার আকাশ ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন ও মেঘে ঢাকা। প্রচণ্ড ঠান্ডায় বিপাকে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ ও শ্রমজীবীরা। বিশেষ করে ভোর থেকে কাজে বের হওয়া দিনমজুর, ভ্যানচালক ও শ্রমিকরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।প্রচণ্ড শীতের কারণে মানুষের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে। মোটা জ্যাকেট ও মাফলারে ঢেকে মানুষজনকে জবুথবু হয়ে পথ চলতে দেখা যায়। হাড়কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হননি অনেকে। তবে ঘর থেকে বের হলেও কাজ মিলছে না শ্রমজীবী মানুষের।

আপনার মতামত লিখুন