সুদানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিনজায় সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে অন্তত ২৭ জনকে হত্যা করেছে দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। সুদানের সামরিক এক সূত্র আল জাজিরাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।সোমবারের (১২ জানুয়ারি) এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন এর আগের দিন সরকার ঘোষণা দেয় তারা তিন বছর পর রাজধানী খার্তুমে ফিরে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর সরকার খার্তুম ছেড়ে বন্দরনগরী পোর্ট সুদানে তাদের কার্যক্রম স্থানান্তর করেছিল।২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সশস্ত্র বাহিনী (এসএএফ) এবং আধাসামরিক আরএসএফ-এর মধ্যে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চলছে। এই সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খার্তুম অঙ্গরাজ্য।
আরো পড়ুন ,
সামরিক সূত্রটি জানায়, ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল শুধু সরকারি বাহিনীর নেতারাই নন, বরং তাদের নিরাপত্তা দল এবং সঙ্গে থাকা বেসামরিক ব্যক্তিরাও।হামলায় কতজন আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত নয়। আল জাজিরা জানিয়েছে, ১৩ জন আহত হয়েছেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি সামরিক ও স্বাস্থ্য সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আহতের সংখ্যা ৭৩ জন পর্যন্ত হতে পারে।সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, হোয়াইট নাইল রাজ্যের গভর্নর কামার আল-দিন ফাদল আল-মাওলা হামলার সময় সিনজায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি অক্ষত থাকলেও তার দুই সহকর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬
সুদানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিনজায় সেনাবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালিয়ে অন্তত ২৭ জনকে হত্যা করেছে দেশটির আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেস (আরএসএফ)। সুদানের সামরিক এক সূত্র আল জাজিরাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।সোমবারের (১২ জানুয়ারি) এই হামলাটি এমন এক সময়ে ঘটে, যখন এর আগের দিন সরকার ঘোষণা দেয় তারা তিন বছর পর রাজধানী খার্তুমে ফিরে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে গৃহযুদ্ধ শুরুর পর সরকার খার্তুম ছেড়ে বন্দরনগরী পোর্ট সুদানে তাদের কার্যক্রম স্থানান্তর করেছিল।২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে সুদানের সশস্ত্র বাহিনী (এসএএফ) এবং আধাসামরিক আরএসএফ-এর মধ্যে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধ চলছে। এই সংঘাতের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র খার্তুম অঙ্গরাজ্য।
আরো পড়ুন ,
সামরিক সূত্রটি জানায়, ড্রোন হামলার লক্ষ্য ছিল শুধু সরকারি বাহিনীর নেতারাই নন, বরং তাদের নিরাপত্তা দল এবং সঙ্গে থাকা বেসামরিক ব্যক্তিরাও।হামলায় কতজন আহত হয়েছেন, তা নিশ্চিত নয়। আল জাজিরা জানিয়েছে, ১৩ জন আহত হয়েছেন। তবে বিভিন্ন সূত্রে এই সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে উল্লেখ করছে। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি সামরিক ও স্বাস্থ্য সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, আহতের সংখ্যা ৭৩ জন পর্যন্ত হতে পারে।সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, হোয়াইট নাইল রাজ্যের গভর্নর কামার আল-দিন ফাদল আল-মাওলা হামলার সময় সিনজায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি অক্ষত থাকলেও তার দুই সহকর্মী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন