দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রায়পুরায় বসতবাড়ী ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

রায়পুরায় বসতবাড়ী ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন
বসতবাড়ী ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মামুদনগর গ্রামে অন্যের বসতবাড়ী দখলের অভিযোগ উঠেছে হযরত আলী ওরফে লহিন্দর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে রায়পুরা সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোঃ ফিরোজ মিয়া। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ফিরোজ মিয়া বলেন, ২০০১ সালের ৯ জুলাই, তিনি ঝরনা বেগম নামে এক মহিলার নিকট থেকে এস এ ২০৬ নং দাগে ৮ ডিসিম জমি ক্রয় করে বসতবাড়ী হিসেবে বসবাস করে আসছে। কিন্তু তার চাচাতো ভাই হযরত আলী ওরফে লহিন্দর এই জমি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছেন। এক পর্যায়ে ২০১৭ সালে লহিন্দর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ফিরোজের উপর হামলা চালায়। মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফিরোজ মিয়া গুরুতর আহত হয়। পরে, তাদের ভয়-ভীতির প্রদর্শনের কারণে তিনি প্রাণ ভয়ে স্বপরিবারে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া বাসায় চলে যায়।

তিনি আরো বলের, ‘লহিন্দর জোরপূর্বক তার বসতবাড়ী দখলে নেয়। সে তার বোনকে দিয়ে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে জমিতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে চাইলে ফিরোজ মিয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু লহিন্দর আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিল্ডিংয়ের কাজ অর্ধেক করে ফেলে। আদালত অভিযোগের সরেজমিন তদন্তের জন্য আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়াকে নির্দেশ দেন।’

নায়েব ফিরোজ মিয়া মহামান্য আদালতে পাঠানো তার তদন্ত প্রতিবেদনে মনগড়া মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ‘ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বিবাদী লহিন্দরের নিকট থেকে ঘুষ গ্রহণ করেন। আমার নিকট জমির সকল কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নায়েব প্রতিবেদনে লিখেছেন প্রমাণপত্র দাখিল করতে পারি নাই, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাছাড়াও তিনি সরেজমিনের তদন্ত প্রতিবেদনে লিখেছেন বিবাদী টিন সেট বিল্ডিং ও দুচালা ঘর নির্মাণ করে ভোগ দখলে নিয়োজিত আছে, প্রকৃতপক্ষে এখানে কোনো টিন সেট বিল্ডিং ও দুচালা ঘর নেই। তারা আমাকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে প্রথমে এখানে একচালা টিনের ঘর নির্মাণ করে, পরবর্তীতে বিল্ডিং নির্মাণ কালে আদালতের নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে।'

ভুক্তভোগী ফিরোজ মিয়ার পরিবার তাদের বসতবাড়ি ফিরে পেতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এসময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য জোসনা, তানিয়া আক্তার, প্রতিবেশী আবুল কাসেম, আলা উদ্দিন, কামাল মিয়া সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় : রায়পুরা সম্মেলন নরসিংদী

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬


রায়পুরায় বসতবাড়ী ফিরে পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার মামুদনগর গ্রামে অন্যের বসতবাড়ী দখলের অভিযোগ উঠেছে হযরত আলী ওরফে লহিন্দর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। শনিবার সকালে রায়পুরা সাংবাদিক ফোরাম কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন এই অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মোঃ ফিরোজ মিয়া। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ভুক্তভোগী ফিরোজ মিয়া বলেন, ২০০১ সালের ৯ জুলাই, তিনি ঝরনা বেগম নামে এক মহিলার নিকট থেকে এস এ ২০৬ নং দাগে ৮ ডিসিম জমি ক্রয় করে বসতবাড়ী হিসেবে বসবাস করে আসছে। কিন্তু তার চাচাতো ভাই হযরত আলী ওরফে লহিন্দর এই জমি জোরপূর্বক দখল করার পায়তারা করছেন। এক পর্যায়ে ২০১৭ সালে লহিন্দর সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ফিরোজের উপর হামলা চালায়। মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ফিরোজ মিয়া গুরুতর আহত হয়। পরে, তাদের ভয়-ভীতির প্রদর্শনের কারণে তিনি প্রাণ ভয়ে স্বপরিবারে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র ভাড়া বাসায় চলে যায়।

তিনি আরো বলের, ‘লহিন্দর জোরপূর্বক তার বসতবাড়ী দখলে নেয়। সে তার বোনকে দিয়ে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে জমিতে বিল্ডিং নির্মাণ করতে চাইলে ফিরোজ মিয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে আদালত নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দেন। কিন্তু লহিন্দর আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে বিল্ডিংয়ের কাজ অর্ধেক করে ফেলে। আদালত অভিযোগের সরেজমিন তদন্তের জন্য আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়াকে নির্দেশ দেন।’

নায়েব ফিরোজ মিয়া মহামান্য আদালতে পাঠানো তার তদন্ত প্রতিবেদনে মনগড়া মিথ্যা তথ্য প্রদান করেছে বলে ভুক্তভোগী অভিযোগ করে বলেন, ‘ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা ফিরোজ মিয়া বিবাদী লহিন্দরের নিকট থেকে ঘুষ গ্রহণ করেন। আমার নিকট জমির সকল কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও নায়েব প্রতিবেদনে লিখেছেন প্রমাণপত্র দাখিল করতে পারি নাই, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তাছাড়াও তিনি সরেজমিনের তদন্ত প্রতিবেদনে লিখেছেন বিবাদী টিন সেট বিল্ডিং ও দুচালা ঘর নির্মাণ করে ভোগ দখলে নিয়োজিত আছে, প্রকৃতপক্ষে এখানে কোনো টিন সেট বিল্ডিং ও দুচালা ঘর নেই। তারা আমাকে জোরপূর্বক উচ্ছেদ করে প্রথমে এখানে একচালা টিনের ঘর নির্মাণ করে, পরবর্তীতে বিল্ডিং নির্মাণ কালে আদালতের নির্দেশে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে।'

ভুক্তভোগী ফিরোজ মিয়ার পরিবার তাদের বসতবাড়ি ফিরে পেতে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে এসময় ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য জোসনা, তানিয়া আক্তার, প্রতিবেশী আবুল কাসেম, আলা উদ্দিন, কামাল মিয়া সহ বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত