দালালের দৌরাত্ম্য, দিনের পর দিন হয়রানি ও বাড়তি টাকা আদায়। ভূমি অফিস নিয়ে সেবাগ্রহীতা ও সাধারন মানুষের এমন ধারনা পাল্টে দিয়েছেন নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ৩নং পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান। তিনি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নবাসীকে রিতিমতো ভূমি সংক্রান্ত সেবা দিয়ে অবাক করে দিয়েছেন।
অপরদিকে কলমাকান্দা উপজেলার সকল ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত ও অনলাইনভিত্তিক ভূমি অফিসে রুপান্তর করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রধান হিসেবে দিন রাত পরিশ্রম করার ফলে উপজেলার সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এখন আর দালালের দৌরাত্ম্য নেই এমন দাবি করেছেন ভূমি সেবা গ্রহীতাদের। অন্যদিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, আমি এই ইউনিয়নের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এবং যতদিন আমি এই ইউনিয়নের সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছি ততদিন সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
আরও পড়ুন, মধ্যনগরে ডেবিল হান্টের অভিযানে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
এদিকে পোগলা ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের ভূমি অফিসে এসে আমার জমি আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে নামজারি করেছি। অতিরিক্ত কোনো টাকা খরচ হয়নি আমি শুধু সরকারি ফি জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, এই ভূমি অফিসের বর্তমান ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেন খানের সেবায় আমি খুবই খুশি। তিনি সকলকে সরাসরি পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এসে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নেওয়ার আহবান জানান।
সম্প্রতি সরেজমিনে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, গেইটে প্রবেশ করে একটু সামনে এগুতেই চোখে পড়বে পুরো অফিসের ফ্লু চার্ট। এর পাশেই সাঁটানো সিটিজেন চার্টার। এতে জমির নামজারি করতে খরচ, খতিয়ান তোলার খরচ, খাসজমি বন্দোবস্ত নিতে করণীয়,কোন বিষয়ে কার সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে। এসব তথ্য লেখা, এছাড়া পুরো অফিস পরিপাটি করে সাজানো।এছাড়াও খুবই পরিপাটি ইউনিয়নের মৌজা ভিত্তিক ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র লাল রংয়ের কাপড়ে মোড়ানো।
আরও পড়ুন, শীতে কাঁপছে কিশোরগঞ্জ, টানা তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিকলীতে
এদিকে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান জানান,আমার পুরো অফিস দালাল মুক্ত করা হয়েছে। অফিসের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যেও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,‘যার কাজ তাকেই সরাসরি আমার অফিসে আসতে উৎসাহ দিচ্ছি। অন্য কারো হাত দিয়ে আসা মানেই সেখানে দালাল ঢুকে পড়া। ফলে এখন সেবা গ্রহীতারা সরাসরি আমার অফিসে আসতে পারছেন।
তিনি আরো বলেন, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুর রহমান স্যারের সার্বিক সহযোগীতায় ও কলমাকন্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান স্যারের দিকনির্দেশনায় আমার অফিসকে একটি মডেল ইউনিয়ন ভূমি অফিস হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা করছি, তাই আমি ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে ইউনিয়নের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সহযোগীতা কামনা করছি।
বিষয় : কলমাকান্দা ভূমি চিত্র

মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
দালালের দৌরাত্ম্য, দিনের পর দিন হয়রানি ও বাড়তি টাকা আদায়। ভূমি অফিস নিয়ে সেবাগ্রহীতা ও সাধারন মানুষের এমন ধারনা পাল্টে দিয়েছেন নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ৩নং পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান। তিনি কলমাকান্দা উপজেলার পোগলা ইউনিয়নবাসীকে রিতিমতো ভূমি সংক্রান্ত সেবা দিয়ে অবাক করে দিয়েছেন।
অপরদিকে কলমাকান্দা উপজেলার সকল ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত ও অনলাইনভিত্তিক ভূমি অফিসে রুপান্তর করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তিনি উপজেলা প্রশাসনের প্রধান হিসেবে দিন রাত পরিশ্রম করার ফলে উপজেলার সকল ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এখন আর দালালের দৌরাত্ম্য নেই এমন দাবি করেছেন ভূমি সেবা গ্রহীতাদের। অন্যদিকে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামাল হোসেন খান বলেন, আমি এই ইউনিয়নের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি। এবং যতদিন আমি এই ইউনিয়নের সহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে আছি ততদিন সততা ও নিষ্ঠার সাথে আমি আমার দায়িত্ব পালন করে যাবো ইনশাআল্লাহ।
আরও পড়ুন, মধ্যনগরে ডেবিল হান্টের অভিযানে যুবলীগ নেতা গ্রেফতার
এদিকে পোগলা ইউনিয়নের বাসিন্দা আব্দুল্লাহ বলেন, আমাদের ভূমি অফিসে এসে আমার জমি আমি নিজেই অনলাইনে আবেদন করে নামজারি করেছি। অতিরিক্ত কোনো টাকা খরচ হয়নি আমি শুধু সরকারি ফি জমা দিয়েছি। তিনি বলেন, এই ভূমি অফিসের বর্তমান ইউনিয়ন সহকারী ভূমি কর্মকর্তা কামাল হোসেন খানের সেবায় আমি খুবই খুশি। তিনি সকলকে সরাসরি পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে এসে ভূমি সংক্রান্ত সেবা নেওয়ার আহবান জানান।
সম্প্রতি সরেজমিনে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে দেখা যায়, গেইটে প্রবেশ করে একটু সামনে এগুতেই চোখে পড়বে পুরো অফিসের ফ্লু চার্ট। এর পাশেই সাঁটানো সিটিজেন চার্টার। এতে জমির নামজারি করতে খরচ, খতিয়ান তোলার খরচ, খাসজমি বন্দোবস্ত নিতে করণীয়,কোন বিষয়ে কার সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে। এসব তথ্য লেখা, এছাড়া পুরো অফিস পরিপাটি করে সাজানো।এছাড়াও খুবই পরিপাটি ইউনিয়নের মৌজা ভিত্তিক ভূমি সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র লাল রংয়ের কাপড়ে মোড়ানো।
আরও পড়ুন, শীতে কাঁপছে কিশোরগঞ্জ, টানা তিন দিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নিকলীতে
এদিকে পোগলা ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কামাল হোসেন খান জানান,আমার পুরো অফিস দালাল মুক্ত করা হয়েছে। অফিসের সৌন্দর্যবর্ধনের জন্যেও পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,‘যার কাজ তাকেই সরাসরি আমার অফিসে আসতে উৎসাহ দিচ্ছি। অন্য কারো হাত দিয়ে আসা মানেই সেখানে দালাল ঢুকে পড়া। ফলে এখন সেবা গ্রহীতারা সরাসরি আমার অফিসে আসতে পারছেন।
তিনি আরো বলেন, কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাসুদুর রহমান স্যারের সার্বিক সহযোগীতায় ও কলমাকন্দা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদুল হাসান স্যারের দিকনির্দেশনায় আমার অফিসকে একটি মডেল ইউনিয়ন ভূমি অফিস হিসেবে তৈরি করার চেষ্টা করছি, তাই আমি ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে ইউনিয়নের সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সহযোগীতা কামনা করছি।

আপনার মতামত লিখুন