২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৩৫ টাকা দরে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার। একই সঙ্গে ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল ৪৮ টাকা কেজি দরে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। খাদ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমন ধান সংগ্রহ করা হবে।
আরও পড়ুন,নির্ভুল তথ্য ও জবাবদিহি নিশ্চিতে সরকারের ৩ দফা সংস্কার উদ্যোগ
আর চাল সংগ্রহের কার্যক্রম চলবে ১ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।তিনি বলেন, কৃষকেরা বিক্রি করতে চাইলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও ধান সংগ্রহ করা হবে। সরকারের এ উদ্যোগের লক্ষ্য কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাদ্য মজুদ বাড়ানো। চালের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মোটা চালের দাম বাড়েনি, তবে মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। চাল রপ্তানির সুযোগ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্যের অভাবে কেউ মারা যাবে না। কৃষকদের ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে। খাদ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ১৭ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ লাখ মেট্রিক টন গম মজুদ রয়েছে।
বিষয় : পুনর্নির্ধারণ চাল কেজি

রোববার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ নভেম্বর ২০২৬
২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমন মৌসুমে কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ৩৫ টাকা দরে ৩ লাখ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করবে সরকার। একই সঙ্গে ৫ লাখ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ৪৯ টাকা এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল ৪৮ টাকা কেজি দরে কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার (৮ নভেম্বর) খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। খাদ্যমন্ত্রী জানান, আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আমন ধান সংগ্রহ করা হবে।
আরও পড়ুন,নির্ভুল তথ্য ও জবাবদিহি নিশ্চিতে সরকারের ৩ দফা সংস্কার উদ্যোগ
আর চাল সংগ্রহের কার্যক্রম চলবে ১ ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।তিনি বলেন, কৃষকেরা বিক্রি করতে চাইলে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বাইরেও ধান সংগ্রহ করা হবে। সরকারের এ উদ্যোগের লক্ষ্য কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি খাদ্য মজুদ বাড়ানো। চালের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মোটা চালের দাম বাড়েনি, তবে মিনিকেট চালের দাম বেড়েছে। চাল রপ্তানির সুযোগ অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দেওয়া হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে। খাদ্যের অভাবে কেউ মারা যাবে না। কৃষকদের ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে সরকার কাজ করছে। খাদ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ১৭ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৩ লাখ মেট্রিক টন গম মজুদ রয়েছে।
