বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি এবং রফতানিতে অনিয়মসহ বিভিন্ন কৌশলে ১০২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে দুটি পোশাক কারখানা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের পৃথক তদন্তে এ অনিয়ম উদঘাটন হয়েছে। সোমবার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া প্রতিষ্ঠান দুটি হলো রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ও লিশা টেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এর মধ্যে রিয়াজ নিটওয়্যারের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকা এবং লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত দল। এনবিআর জানায়, তদন্তের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠান দুটির কারখানা ও গুদাম সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পাশাপাশি কাঁচামালের মজুদ, আমদানি ও রফতানির নথিপত্র যাচাই করে বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, রিয়াজ নিটওয়্যার ৪১টি ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের আওতায় বন্ড সুবিধায় ২ হাজার ৮৬২ টন ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় আমদানি করে।
আরও পড়ুন,প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্রয়ের ফল প্রকাশ
কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২৩৭ টন কাপড় কারখানার গুদামে পাওয়া যায়নি। রফতানির হিসাবেও এসব কাপড়ের কোনো তথ্য মেলেনি। তদন্ত দলের ধারণা, কাপড়গুলো বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি শুল্ক-কর ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কেজি পলিয়েস্টার কাপড় খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া রফতানিতে কম মূল্য দেখানো, অনুমোদনের বাইরে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং মূল্য সংযোজনের শর্ত পূরণ না করার অনিয়মও শনাক্ত হয়েছে। এমনকি অনুমোদন ছাড়াই স্থানীয় বাজার থেকে চার লাখের বেশি পিস পোশাকের আনুষঙ্গিক কাঁচামাল কেনা এবং লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার কিট ব্যাগ সরবরাহের মাধ্যমে মূসক ফাঁকির তথ্য পেয়েছে এনবিআর। এনবিআর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ নভেম্বর ২০২৬
বন্ড সুবিধায় শুল্কমুক্তভাবে আমদানি করা কাপড় খোলাবাজারে বিক্রি এবং রফতানিতে অনিয়মসহ বিভিন্ন কৌশলে ১০২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার বেশি রাজস্ব ফাঁকি দিয়েছে দুটি পোশাক কারখানা। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের এনবিআরের সেন্ট্রাল ইন্টেলিজেন্স সেলের পৃথক তদন্তে এ অনিয়ম উদঘাটন হয়েছে। সোমবার এনবিআরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজস্ব ফাঁকির অভিযোগ পাওয়া প্রতিষ্ঠান দুটি হলো রিয়াজ নিটওয়্যার লিমিটেড ও লিশা টেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। এর মধ্যে রিয়াজ নিটওয়্যারের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ ৮৭ হাজার ৭২০ টাকা এবং লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে ৭ কোটি ৮৩ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮ টাকা রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত দল। এনবিআর জানায়, তদন্তের অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠান দুটির কারখানা ও গুদাম সরেজমিনে পরিদর্শন করা হয়। পাশাপাশি কাঁচামালের মজুদ, আমদানি ও রফতানির নথিপত্র যাচাই করে বিভিন্ন অনিয়ম শনাক্ত করা হয়। তদন্তে দেখা গেছে, রিয়াজ নিটওয়্যার ৪১টি ইউটিলাইজেশন ডিক্লারেশনের আওতায় বন্ড সুবিধায় ২ হাজার ৮৬২ টন ওভেন পলিয়েস্টার কাপড় আমদানি করে।
আরও পড়ুন,প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্রয়ের ফল প্রকাশ
কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ২ হাজার ২৩৭ টন কাপড় কারখানার গুদামে পাওয়া যায়নি। রফতানির হিসাবেও এসব কাপড়ের কোনো তথ্য মেলেনি। তদন্ত দলের ধারণা, কাপড়গুলো বন্ডেড ওয়্যারহাউস থেকে সরিয়ে খোলাবাজারে বিক্রি করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি ৭৩ লাখ টাকার বেশি শুল্ক-কর ফাঁকির প্রমাণ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, লিশা টেক্সের বিরুদ্ধে বন্ড সুবিধায় আমদানি করা প্রায় ১ লাখ ৭৪ হাজার কেজি পলিয়েস্টার কাপড় খোলাবাজারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া রফতানিতে কম মূল্য দেখানো, অনুমোদনের বাইরে কাঁচামাল সংগ্রহ এবং মূল্য সংযোজনের শর্ত পূরণ না করার অনিয়মও শনাক্ত হয়েছে। এমনকি অনুমোদন ছাড়াই স্থানীয় বাজার থেকে চার লাখের বেশি পিস পোশাকের আনুষঙ্গিক কাঁচামাল কেনা এবং লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠানের কাছে ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকার কিট ব্যাগ সরবরাহের মাধ্যমে মূসক ফাঁকির তথ্য পেয়েছে এনবিআর। এনবিআর জানিয়েছে, বন্ড সুবিধার অপব্যবহার ও রাজস্ব ফাঁকি রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন