নরসিংদীর রায়পুরায় লাইসেন্সবিহীন ও অনুমোদনবহির্ভূত ক্লিনিক পরিচালনা, অপরিচ্ছন্ন কেবিন এবং ফার্মেসিতে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব মামলায় মোট ২২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রায়পুরা উপজেলার খন্দকার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল-সাবাহ হাসপাতাল, খোকা ফার্মেসি ও বাংলাদেশ ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযান সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান দুটিতে লাইসেন্সবিহীন ও অনুমোদন ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা, লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, দুর্গন্ধযুক্ত ও অপরিচ্ছন্ন কেবিন, প্যাথলজি বিভাগে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকা এবং অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) লাইট নষ্ট থাকার মতো অনিয়ম পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন,মানবিক পুলিশিংয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির
এ ছাড়া ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল প্রদর্শন এবং অ্যান্টিবায়োটিকের রেজিস্টার সংরক্ষণ না করার অভিযোগও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারা এবং ঔষধ ও কসমেটিক আইন, ২০২৩-এর ৪০(গ) ধারায় চারটি মামলা করা হয়। অভিযানে চারজনকে অভিযুক্ত করে সর্বমোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে প্রসিকিউশন দাখিল করেন রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি) ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং নরসিংদী ঔষধ প্রশাসনের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুম মনিরা। এ সময় রায়পুরা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন। রায়পুরার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনমুন পালের পরিচালনায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালিত হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ অক্টোবর ২০২৬
নরসিংদীর রায়পুরায় লাইসেন্সবিহীন ও অনুমোদনবহির্ভূত ক্লিনিক পরিচালনা, অপরিচ্ছন্ন কেবিন এবং ফার্মেসিতে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চারটি মামলা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসব মামলায় মোট ২২ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রায়পুরা উপজেলার খন্দকার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, আল-সাবাহ হাসপাতাল, খোকা ফার্মেসি ও বাংলাদেশ ফার্মেসিতে অভিযান চালিয়ে এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। অভিযান সূত্রে জানা যায়, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান দুটিতে লাইসেন্সবিহীন ও অনুমোদন ছাড়া ক্লিনিক পরিচালনা, লাইসেন্স নবায়ন না থাকা, দুর্গন্ধযুক্ত ও অপরিচ্ছন্ন কেবিন, প্যাথলজি বিভাগে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা না থাকা এবং অপারেশন থিয়েটারের (ওটি) লাইট নষ্ট থাকার মতো অনিয়ম পাওয়া যায়।
আরও পড়ুন,মানবিক পুলিশিংয়ের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির
এ ছাড়া ফার্মেসিতে ফিজিশিয়ান স্যাম্পল প্রদর্শন এবং অ্যান্টিবায়োটিকের রেজিস্টার সংরক্ষণ না করার অভিযোগও পাওয়া যায়। এসব অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯-এর ৫২ ধারা এবং ঔষধ ও কসমেটিক আইন, ২০২৩-এর ৪০(গ) ধারায় চারটি মামলা করা হয়। অভিযানে চারজনকে অভিযুক্ত করে সর্বমোট ২২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানে প্রসিকিউশন দাখিল করেন রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (সার্জারি) ডা. মো. নজরুল ইসলাম এবং নরসিংদী ঔষধ প্রশাসনের ঔষধ তত্ত্বাবধায়ক সিরাজুম মনিরা। এ সময় রায়পুরা থানা পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন। রায়পুরার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনমুন পালের পরিচালনায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালিত হয়।

আপনার মতামত লিখুন