নির্বাচনে ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের যে অভিযোগ উঠেছে, তা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নয় বরং বিএনপির বিরুদ্ধে জোরালোভাবে তুলেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের রঙিন ছবি যত্রতত্র ব্যবহার করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে গোপন বা প্রকাশ্য মেডিকেল ক্যাম্পের আড়ালে নির্বাচনী প্রচার চালানো এবং বিশেষ করে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের পক্ষ থেকে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন,খণ্ডিত বক্তব্য না ছড়ানোর আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর
এ ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন অব্যাহত থাকলে সংখ্যালঘু ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সাহস পাবেন না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা অনুভূতিকে রাজনৈতিক বা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার না করার স্পষ্ট অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও বিএনপি তা লঙ্ঘন করছে বলে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা জামায়াতের বিরুদ্ধে ধর্ম ব্যবহারের মিথ্যা অপপ্রচার চালালেও বাস্তবে বিএনপিই নির্বাচনে ধর্মের অপব্যবহার করছে। এ সময় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, ওই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রকাশ্যেই বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিরপেক্ষতা হারিয়ে দলীয় আনুগত্যের পরিচয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। দলীয় আনুগত্যে পরিচালিত পুলিশ প্রশাসন ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অধীনে কখনোই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয় মন্তব্য করে গোলাম পরওয়ার অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামকে অপসারণ এবং নির্বাচনে কঠোরভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের জোর দাবি জানান।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
নির্বাচনে ধর্মকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহারের যে অভিযোগ উঠেছে, তা জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে নয় বরং বিএনপির বিরুদ্ধে জোরালোভাবে তুলেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় পরিচয়কে কেন্দ্র করে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে এবং নির্বাচনী বিধি লঙ্ঘন করছে। রোববার (২৫ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, নির্বাচনী মাঠে ধানের শীষের রঙিন ছবি যত্রতত্র ব্যবহার করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করা হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন ইউনিয়নে গোপন বা প্রকাশ্য মেডিকেল ক্যাম্পের আড়ালে নির্বাচনী প্রচার চালানো এবং বিশেষ করে হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় বিএনপি প্রার্থীর লোকজনের পক্ষ থেকে ভোটারদের হুমকি দেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন,খণ্ডিত বক্তব্য না ছড়ানোর আহ্বান স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীর
এ ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন অব্যাহত থাকলে সংখ্যালঘু ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটাররা নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে সাহস পাবেন না বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি। নির্বাচনী ইশতেহারে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান বা অনুভূতিকে রাজনৈতিক বা নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহার না করার স্পষ্ট অঙ্গীকার থাকা সত্ত্বেও বিএনপি তা লঙ্ঘন করছে বলে দাবি করেন গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষরা জামায়াতের বিরুদ্ধে ধর্ম ব্যবহারের মিথ্যা অপপ্রচার চালালেও বাস্তবে বিএনপিই নির্বাচনে ধর্মের অপব্যবহার করছে। এ সময় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি অভিযোগ করেন, ওই উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রকাশ্যেই বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছেন। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিরপেক্ষতা হারিয়ে দলীয় আনুগত্যের পরিচয় দিচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। দলীয় আনুগত্যে পরিচালিত পুলিশ প্রশাসন ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অধীনে কখনোই একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব নয় মন্তব্য করে গোলাম পরওয়ার অবিলম্বে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলামকে অপসারণ এবং নির্বাচনে কঠোরভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েনের জোর দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন