শিক্ষার্থী নিপীড়ন ও অনৈতিক আচরণ প্রতিরোধে দেশের সকল কওমি মাদ্রাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন, মনিটরিং সেল শক্তিশালী করা এবং অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান। শনিবার (২৪ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এ তাগিদ দেন।হেফাজত নেতারা স্পষ্ট করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন বা কোনো ধরনের অনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
আরও পড়ুন,১ লাখ ২৮ হাজার এনআইডি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায়
তারা উল্লেখ করেন, অনৈতিক আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনো শিথিলতা প্রদর্শন না করে প্রাতিষ্ঠানিক ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড 'আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ' ইতোমধ্যে যে নির্দেশনা জারি করেছে, সে অনুযায়ী কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে বা ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিলের কঠোর হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিতে স্কুল ও মাদ্রাসায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ অক্টোবর ২০২৬
শিক্ষার্থী নিপীড়ন ও অনৈতিক আচরণ প্রতিরোধে দেশের সকল কওমি মাদ্রাসায় ‘শিক্ষার্থী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন, মনিটরিং সেল শক্তিশালী করা এবং অভিযোগ জানানোর জন্য হটলাইন চালুর নির্দেশনা দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজেদুর রহমান। শনিবার (২৪ অক্টোবর) এক যৌথ বিবৃতিতে তারা সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে এ তাগিদ দেন।হেফাজত নেতারা স্পষ্ট করেন যে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিশু নিপীড়ন বা কোনো ধরনের অনৈতিক আচরণ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। একই সঙ্গে এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইন নিজের হাতে তুলে না নিয়ে প্রতিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান তারা।
আরও পড়ুন,১ লাখ ২৮ হাজার এনআইডি আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায়
তারা উল্লেখ করেন, অনৈতিক আচরণের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কোনো শিথিলতা প্রদর্শন না করে প্রাতিষ্ঠানিক ও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়, কওমি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড 'আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ' ইতোমধ্যে যে নির্দেশনা জারি করেছে, সে অনুযায়ী কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে সর্বোচ্চ সাত দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে বা ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অধিভুক্তি স্থগিত বা বাতিলের কঠোর হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসিক স্বস্তি নিশ্চিতে স্কুল ও মাদ্রাসায় সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারির পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন