রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও যানজট কমাতে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ পদ্ধতিতে বাস পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ঢাকার ছয়টি প্রধান রুটে পরীক্ষামূলকভাবে বাস চলাচল শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচটি নন-এসি ও একটি এসি রুটে এ কার্যক্রম চালু করা হবে।রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) আয়োজিত এক সভায় বাস চলাচলের রুট, পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, বাসের সংখ্যা ও স্টপেজ নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুর দুই মাস পর আরও তিনটি সার্কুলার রুট যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রথম পর্যায়ের ছয়টি রুট হলো গাজীপুর-ঢাকেশ্বরী মন্দির, গাবতলী-ডেমরা, দুয়ারীপাড়া-সদরঘাট, ঘাটারচর-ডেমরা, ঘাটারচর-কাঁচপুর এবং মিরপুর-১২-মাওয়া।পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব রুটে একাধিক পরিবহন প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত করে যৌথভাবে বাস পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গাজীপুর-ঢাকেশ্বরী মন্দির রুটে বিকাশ পরিবহন, বিকাশ সেবা ট্রান্সপোর্ট ও ডিভাইস পরিবহন দায়িত্ব পালন করবে। গাবতলী-ডেমরা রুটে থাকবে আলিফ এন্টারপ্রাইজ, বৈশাখী পরিবহন ও রইছ পরিবহন।
আরও পড়ুন, ১০০ ফিট সড়কে অবশিষ্ট ১০ ফুট, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পথচারীরা
দুয়ারীপাড়া-সদরঘাট রুটে দিশারী, তানজিল, মেট্রো লিংক ও ট্রান্সসিলভা যৌথভাবে বাস পরিচালনা করবে। ঘাটারচর-ডেমরা এবং ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে দায়িত্বে থাকবে রমজান, মালঞ্চ, মিডলাইন ও রজনীগন্ধা পরিবহন। অন্যদিকে মিরপুর-১২-মাওয়া রুটে বাস চালাবে স্বাধীন, বিহঙ্গ, বিকল্প ও শিকড় পরিবহন।ডিটিসিএর ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম জানিয়েছেন, শিগগিরই এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে।নতুন বাসব্যবস্থা কার্যকর করতে বাসস্টপ চিহ্নিত করা, টিকিট কাউন্টার স্থাপন, ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ডিএমপি ও দুই সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিটিসিএ।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে একই রুটে বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতা কমবে, যাত্রী ওঠানামায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং গণপরিবহনে যাত্রীসেবার মান বাড়বে। তবে উদ্যোগটির সফলতা নির্ভর করবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত তদারকি এবং নির্ধারিত নিয়ম কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর।
বিষয় : বাসব্যবস্থা এক রুট ১ নভেম্ব

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও যানজট কমাতে ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ পদ্ধতিতে বাস পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে ঢাকার ছয়টি প্রধান রুটে পরীক্ষামূলকভাবে বাস চলাচল শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচটি নন-এসি ও একটি এসি রুটে এ কার্যক্রম চালু করা হবে।রোববার ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) আয়োজিত এক সভায় বাস চলাচলের রুট, পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান, বাসের সংখ্যা ও স্টপেজ নির্ধারণ নিয়ে আলোচনা হয়। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ) জানিয়েছে, পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরুর দুই মাস পর আরও তিনটি সার্কুলার রুট যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।প্রথম পর্যায়ের ছয়টি রুট হলো গাজীপুর-ঢাকেশ্বরী মন্দির, গাবতলী-ডেমরা, দুয়ারীপাড়া-সদরঘাট, ঘাটারচর-ডেমরা, ঘাটারচর-কাঁচপুর এবং মিরপুর-১২-মাওয়া।পরিকল্পনা অনুযায়ী, এসব রুটে একাধিক পরিবহন প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত করে যৌথভাবে বাস পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গাজীপুর-ঢাকেশ্বরী মন্দির রুটে বিকাশ পরিবহন, বিকাশ সেবা ট্রান্সপোর্ট ও ডিভাইস পরিবহন দায়িত্ব পালন করবে। গাবতলী-ডেমরা রুটে থাকবে আলিফ এন্টারপ্রাইজ, বৈশাখী পরিবহন ও রইছ পরিবহন।
আরও পড়ুন, ১০০ ফিট সড়কে অবশিষ্ট ১০ ফুট, দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পথচারীরা
দুয়ারীপাড়া-সদরঘাট রুটে দিশারী, তানজিল, মেট্রো লিংক ও ট্রান্সসিলভা যৌথভাবে বাস পরিচালনা করবে। ঘাটারচর-ডেমরা এবং ঘাটারচর-কাঁচপুর রুটে দায়িত্বে থাকবে রমজান, মালঞ্চ, মিডলাইন ও রজনীগন্ধা পরিবহন। অন্যদিকে মিরপুর-১২-মাওয়া রুটে বাস চালাবে স্বাধীন, বিহঙ্গ, বিকল্প ও শিকড় পরিবহন।ডিটিসিএর ডেপুটি ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানার ধ্রুব আলম জানিয়েছেন, শিগগিরই এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে।নতুন বাসব্যবস্থা কার্যকর করতে বাসস্টপ চিহ্নিত করা, টিকিট কাউন্টার স্থাপন, ফুটপাতের অবৈধ দখল উচ্ছেদ এবং অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা সরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে ডিএমপি ও দুই সিটি করপোরেশনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এ ছাড়া সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ১৮ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশের সহায়তায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ডিটিসিএ।সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, ‘এক রুট, এক কোম্পানি’ পদ্ধতি বাস্তবায়িত হলে একই রুটে বাসের অসুস্থ প্রতিযোগিতা কমবে, যাত্রী ওঠানামায় শৃঙ্খলা ফিরবে এবং গণপরিবহনে যাত্রীসেবার মান বাড়বে। তবে উদ্যোগটির সফলতা নির্ভর করবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, নিয়মিত তদারকি এবং নির্ধারিত নিয়ম কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন