ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। সোমবার, ১৯ অক্টোবর, দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সৌরভ দাশের জমা দেওয়া প্রতিবেদন এবং অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি করা হবে। আইনের ২৬(২) ধারায় সম্পদের বিবরণী জমা না দেওয়া কিংবা বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার শাস্তির বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, ২৭(১) ধারায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অপরাধ ও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন,অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে ১৩ নির্দেশনা দিল ফায়ার সার্ভিস
এর আগে গত ১ অক্টোবর নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে দুদক। পরে ৫ অক্টোবর সংস্থাটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। আদালতে আবেদনটি করেছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী। দুদকের আবেদনে অভিযোগ করা হয়, বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন করে সেই অর্থ নিজের এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন নাজমুল আলম। সিদ্দিকী নাজমুল আলম ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তিনি ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালকও ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ব্যাংকটি পদ্মা ব্যাংক নামে কার্যক্রম শুরু করে। তবে দুদকের এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দোষী বলা যায় না। মামলা দায়েরের পর তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
ফারমার্স ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ও নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক। সোমবার, ১৯ অক্টোবর, দুদকের উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। দুদক সূত্রে জানা গেছে, অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা ও সংস্থাটির সহকারী পরিচালক সৌরভ দাশের জমা দেওয়া প্রতিবেদন এবং অন্যান্য নথি পর্যালোচনা করে নাজমুল আলমের বিরুদ্ধে মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় মামলাটি করা হবে। আইনের ২৬(২) ধারায় সম্পদের বিবরণী জমা না দেওয়া কিংবা বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেওয়ার শাস্তির বিধান রয়েছে। অন্যদিকে, ২৭(১) ধারায় জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনের অপরাধ ও শাস্তির কথা বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন,অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে ১৩ নির্দেশনা দিল ফায়ার সার্ভিস
এর আগে গত ১ অক্টোবর নাজমুল আলমের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতে আবেদন করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে দুদক। পরে ৫ অক্টোবর সংস্থাটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক শাহজাহান কবির তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। আদালতে আবেদনটি করেছিলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জাফর সাদেক শিবলী। দুদকের আবেদনে অভিযোগ করা হয়, বিধিবহির্ভূতভাবে অর্থ উপার্জন করে সেই অর্থ নিজের এবং স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরের মাধ্যমে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন নাজমুল আলম। সিদ্দিকী নাজমুল আলম ২০১১ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ওই সময়ে তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বিপুল সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগ ওঠে। তিনি ফারমার্স ব্যাংকের পরিচালকও ছিলেন। পরবর্তী সময়ে ব্যাংকটি পদ্মা ব্যাংক নামে কার্যক্রম শুরু করে। তবে দুদকের এসব অভিযোগের বিষয়ে আদালতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত তাঁকে দোষী বলা যায় না। মামলা দায়েরের পর তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা নির্ধারিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন