সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ। এর আগে রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নওপাড়া তাজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এসআরবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার এজাহার অনুযায়ী, শিশুটি মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে সাকিব তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে সাকিবের পরিবারকে জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং শিশুটিকে অপহরণের হুমকি দেন। এরপর গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে শিশুটির বাড়ির কাছের একটি সড়ক থেকে সহযোগীদের সহায়তায় একটি অজ্ঞাত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে তাকে অপহরণ করা হয়।
আরও পড়ুন,গঙ্গাচড়ায় বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয় নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা বক্তব্য, তদন্তের ঘোষণা শিক্ষা কর্মকর্তার
পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ময়মনসিংহের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে গত ১১ অক্টোবর ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭ ও ৯(১) ধারায় মামলা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি ও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায় এসআরবি-১৪-এর একটি দল। অভিযানে মামলার প্রধান আসামি সাকিবকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা এবং গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে এসআরবি-১৪, সিপিএসসি, ময়মনসিংহ। এর আগে রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার নওপাড়া তাজপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে নান্দাইল উপজেলার চণ্ডীপাশা এলাকা থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এসআরবির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মামলার এজাহার অনুযায়ী, শিশুটি মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে সাকিব তাকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। বিষয়টি শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানতে পেরে সাকিবের পরিবারকে জানালে তিনি ক্ষিপ্ত হন এবং শিশুটিকে অপহরণের হুমকি দেন। এরপর গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টার দিকে শিশুটির বাড়ির কাছের একটি সড়ক থেকে সহযোগীদের সহায়তায় একটি অজ্ঞাত সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে তাকে অপহরণ করা হয়।
আরও পড়ুন,গঙ্গাচড়ায় বিদ্যালয়ের অর্থ ব্যয় নিয়ে অভিযোগ-পাল্টা বক্তব্য, তদন্তের ঘোষণা শিক্ষা কর্মকর্তার
পরে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ময়মনসিংহের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পিটিশন মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে গত ১১ অক্টোবর ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৭ ও ৯(১) ধারায় মামলা করা হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মামলা হওয়ার পর থেকে আসামিরা দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামি ও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালায় এসআরবি-১৪-এর একটি দল। অভিযানে মামলার প্রধান আসামি সাকিবকে গ্রেপ্তার এবং অপহৃত শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। পরে উদ্ধার হওয়া শিশুটিকে নিরাপদ হেফাজতে রাখা এবং গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে ময়মনসিংহ কোতোয়ালী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন