রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আধুনিকায়ন করা উদ্যান এবং এর প্রাঙ্গণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।দীর্ঘদিন সংস্কার ও উন্নয়নকাজের পর নতুন সাজে নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পে লেক, ফোয়ারা, আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম, ক্যাফেটেরিয়া, হাঁটার পথ ও শিশুদের বিনোদনকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখা হয়েছে।উদ্যানের মূল ফটকটি পুলিশ সদর দপ্তরের বিপরীত পাশে অবস্থিত। প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকলে বাম পাশে রয়েছে লেক, আর মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। এ ছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ-জাপান কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে
লাইব্রেরির আগে বাম পাশ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে ভূগর্ভস্থ জাদুঘরের জন্য নির্ধারিত স্থান দেখা যায়।উদ্যানের মাঝামাঝি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশ পাকা করা হয়েছে এবং মাঝখানে স্টিলের পাতের ওপর জুলাই আন্দোলনে শহীদদের নাম খোদাই করা হয়েছে। রেলিংয়ের ভেতরের অংশে স্থাপন করা হয়েছে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাচিত্র। স্মৃতিস্তম্ভের সামনে রয়েছে প্রতীকী কবর, যার পাশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁটার পথ।সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে স্মৃতিস্তম্ভটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।উদ্যানকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে নতুন করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানো হয়েছে। সংস্কার করা হয়েছে পুরোনো লেকটিও। নগরবাসীর নিয়মিত হাঁটাচলা, বিশ্রাম ও অবসর কাটানোর উপযোগী করে সাজানো হয়েছে পুরো এলাকা।আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংযোজনের পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের এ উদ্যোগ রাজধানীবাসীর জন্য নতুন একটি উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্র তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
রাজধানীর ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যানে নবনির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় আধুনিকায়ন করা উদ্যান এবং এর প্রাঙ্গণে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করেন তিনি। উদ্বোধন শেষে স্মৃতিস্তম্ভ প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারাও রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।দীর্ঘদিন সংস্কার ও উন্নয়নকাজের পর নতুন সাজে নগরবাসীর জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে ঐতিহাসিক ওসমানী উদ্যান। প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত উন্নয়ন প্রকল্পে লেক, ফোয়ারা, আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম, ক্যাফেটেরিয়া, হাঁটার পথ ও শিশুদের বিনোদনকেন্দ্রসহ বিভিন্ন সুবিধা রাখা হয়েছে।উদ্যানের মূল ফটকটি পুলিশ সদর দপ্তরের বিপরীত পাশে অবস্থিত। প্রবেশপথ দিয়ে ঢুকলে বাম পাশে রয়েছে লেক, আর মাঝখানে রয়েছে ফোয়ারা। এ ছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য আধুনিক লাইব্রেরি, জিমনেশিয়াম ও ক্যাফেটেরিয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ-জাপান কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষর নিয়োগ শুরু ২০২৭ সালের এপ্রিলে
লাইব্রেরির আগে বাম পাশ দিয়ে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামলে ভূগর্ভস্থ জাদুঘরের জন্য নির্ধারিত স্থান দেখা যায়।উদ্যানের মাঝামাঝি স্থানে নির্মাণ করা হয়েছে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ। স্মৃতিস্তম্ভের চারপাশ পাকা করা হয়েছে এবং মাঝখানে স্টিলের পাতের ওপর জুলাই আন্দোলনে শহীদদের নাম খোদাই করা হয়েছে। রেলিংয়ের ভেতরের অংশে স্থাপন করা হয়েছে জুলাই আন্দোলনের বিভিন্ন ঘটনাচিত্র। স্মৃতিস্তম্ভের সামনে রয়েছে প্রতীকী কবর, যার পাশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে হাঁটার পথ।সংশ্লিষ্টদের মতে, ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস ও তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে স্মৃতিস্তম্ভটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।উদ্যানকে সবুজ ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তুলতে নতুন করে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছ লাগানো হয়েছে। সংস্কার করা হয়েছে পুরোনো লেকটিও। নগরবাসীর নিয়মিত হাঁটাচলা, বিশ্রাম ও অবসর কাটানোর উপযোগী করে সাজানো হয়েছে পুরো এলাকা।আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংযোজনের পাশাপাশি ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণের এ উদ্যোগ রাজধানীবাসীর জন্য নতুন একটি উন্মুক্ত বিনোদনকেন্দ্র তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন