লোকসানে থাকা সরকারি চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি আখের উপজাত ও অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করে বায়োপ্রোডাক্ট তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম এমপি। কমিটি বলেছে, শুধু চিনি উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে সরকারি চিনি কলগুলোর বিদ্যমান সম্পদ ও উৎপাদন ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প পণ্য ও আয়ের উৎস তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের আওতাধীন সার কারখানাগুলোর উৎপাদন পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন,রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হামলা
সার কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে কমিটি। এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থ ছাড় ও ব্যয়, বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা এবং প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার জনবল পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি। কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদে কতটি শূন্য পদ রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, তা উল্লেখ করে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটি সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
বিষয় : চিনি লোকসান বায়োপ্রোডাক্ট

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
লোকসানে থাকা সরকারি চিনি কলগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি আখের উপজাত ও অন্যান্য পণ্য ব্যবহার করে বায়োপ্রোডাক্ট তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি মো. আবুল কালাম এমপি। কমিটি বলেছে, শুধু চিনি উৎপাদনের ওপর নির্ভর না করে সরকারি চিনি কলগুলোর বিদ্যমান সম্পদ ও উৎপাদন ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে বিকল্প পণ্য ও আয়ের উৎস তৈরি করতে হবে। এ বিষয়ে সম্ভাব্যতা যাচাই করে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন আগামী বৈঠকে উপস্থাপনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের আওতাধীন সার কারখানাগুলোর উৎপাদন পরিস্থিতি নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়।
আরও পড়ুন,রিয়াদের কিং খালিদ বিমানবন্দরে ফের হুথিদের হামলা
সার কারখানায় নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস সরবরাহ এবং বিদ্যমান উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে কমিটি। এ ছাড়া শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি, অর্থ ছাড় ও ব্যয়, বাস্তবায়নের প্রতিবন্ধকতা এবং প্রকল্প নির্ধারিত সময়ে শেষ করার বিষয়েও আলোচনা হয়। একই সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার জনবল পরিস্থিতির বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে সংসদীয় কমিটি। কোন প্রতিষ্ঠানের কোন পদে কতটি শূন্য পদ রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, তা উল্লেখ করে আগামী বৈঠকে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। কমিটি সরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো, বিনিয়োগের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলোকে লাভজনক করার লক্ষ্যে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।

আপনার মতামত লিখুন