দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

সুলতানি আমলের স্মৃতি বহন করছে সোনারগাঁয়ের গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি

সুলতানি আমলের স্মৃতি বহন করছে সোনারগাঁয়ের গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি
সোনারগাঁয়ের গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ প্রাচীন বাংলার রাজধানী ও ঐতিহাসিক জনপদ হিসেবে পরিচিত। কয়েক শতাব্দীর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের নানা নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে এ অঞ্চলে। এসব ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে অন্যতম সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি। ছয় শতাধিক বছরের পুরোনো এ স্থাপনা এখনও সোনারগাঁয়ের সুলতানি আমলের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে রয়েছে।সোনারগাঁ উপজেলার শাহচিলাপুর এলাকায় পুরোনো মাঘদীঘির এক প্রান্তে, পাঁচপীর দরগাহের প্রায় ১০০ ফুট পূর্বে অবস্থিত গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি। সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের পর্যটন তথ্যেও স্থানটিকে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ছিলেন প্রথম ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান। তাঁর শাসনকাল সাধারণত চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ১৪১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ধরা হয়। তাঁর সময়ে বাংলা রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে পরিণত হয়। পূর্ববাংলার গুরুত্বপূর্ণ নগর হিসেবে সোনারগাঁও তখন বিশেষ গুরুত্ব বহন করত।গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ শুধু শাসক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন না; জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যপৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। ঐতিহাসিক সূত্রে পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপের উল্লেখ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন, সোনারগাঁয়ে পাটের মোড়ক ব্যবহার না করায় তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

 তাঁর শাসনামলের সঙ্গে কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের ‘ইউসুফ-জুলেখা’ কাব্যের পৃষ্ঠপোষকতার কথাও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।সমাধিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর পাথরের নির্মাণশৈলী ও অলংকরণ। গবেষণামূলক বর্ণনায় সমাধির মূল কবরচিহ্নে কালচে পাথর ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। পাথরের গায়ে সূক্ষ্ম খোদাই ও অলংকরণের নিদর্শন পাওয়া যায়, যা সুলতানি আমলের শিল্পরুচি ও স্থাপত্যশৈলীর পরিচয় বহন করে।বাংলাপিডিয়ায় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধিকে বাংলার সুলতানি আমলের উল্লেখযোগ্য পাথরের সমাধি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। স্থাপনাটির পাথরের কারুকাজ মধ্যযুগীয় বাংলার স্থাপত্য ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।তবে সমাধিটির পরিচয় নিয়ে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে এটি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি হিসেবে পরিচিত হলেও স্থাপনাটিতে তাঁর নাম-পরিচয় বহনকারী কোনো দৃশ্যমান শিলালিপি নেই। ফলে স্থাপত্যশৈলী, অবস্থান ও ঐতিহ্যগত পরিচয়ের ভিত্তিতে স্থাপনাটিকে তাঁর সমাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে গবেষণামূলক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।সময় ও প্রাকৃতিক ক্ষয়ের কারণে সমাধিটির মূল কাঠামোর অনেক অংশ নষ্ট হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীতেও স্থাপনাটির জীর্ণদশার বর্ণনা পাওয়া যায়।১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আলোকচিত্রী ডব্লিউ. ব্রেনান্ড সোনারগাঁ সফরের সময় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধির ধ্বংসাবশেষের ছবি ধারণ করেন। ব্রিটিশ লাইব্রেরির সংরক্ষিত আর্কাইভে সেই ছবির তথ্য রয়েছে। 

আরও  পড়ুন,  আখাউড়ায় রেলসেতুর পানিতে ভাসমান যুবকের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

ঐতিহাসিক বর্ণনায় সমাধিটির পাথরের কাঠামো ও কারুকাজের পাশাপাশি তৎকালীন জীর্ণ অবস্থার কথাও উঠে এসেছে।তবে দীর্ঘ সময়ের ক্ষয় ও পরিবর্তনের পরও স্থাপনাটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ টিকে আছে। ফলে এটি সোনারগাঁয়ের প্রত্নঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি সোনারগাঁয়ের বিচ্ছিন্ন কোনো স্থাপনা নয়। এর আশপাশের মোগরাপাড়া, শাহচিলাপুর, গোয়ালদীসহ বিভিন্ন এলাকায় মধ্যযুগীয় সোনারগাঁয়ের নানা প্রত্ননিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে।গোলদি মসজিদ, ফতেহ শাহের মসজিদ, দরগাবাড়ি কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থাপনা এ অঞ্চলের দীর্ঘ ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। এসব নিদর্শন থেকে মধ্যযুগে সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও নগরজীবনের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।ইতিহাস, স্থাপত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি সোনারগাঁয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা। দেশ-বিদেশের ইতিহাসপ্রেমী, গবেষক ও পর্যটকদের কাছে এ ধরনের স্থাপনা মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাস জানার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে।স্থানীয় ইতিহাসপ্রেমীরা বলছেন, সমাধি ও আশপাশের প্রত্ননিদর্শনগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ, নিয়মিত পরিচর্যা এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য ঐতিহাসিক তথ্যসমৃদ্ধ সাইনবোর্ড, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।ছয় শতাধিক বছর ধরে ইতিহাসের নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে থাকা গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি শুধু একটি সমাধিস্থল নয়; এটি সোনারগাঁয়ের মধ্যযুগীয় ইতিহাস, সুলতানি স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রচারের মাধ্যমে ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও বাংলার অতীত ইতিহাসের মূল্যবান নিদর্শন হিসেবে টিকে থাকতে পারে।

বিষয় : সমাধিস্থল স্মৃতি বহন আজম শাহ

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬


সুলতানি আমলের স্মৃতি বহন করছে সোনারগাঁয়ের গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ প্রাচীন বাংলার রাজধানী ও ঐতিহাসিক জনপদ হিসেবে পরিচিত। কয়েক শতাব্দীর রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও স্থাপত্য ঐতিহ্যের নানা নিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে এ অঞ্চলে। এসব ঐতিহাসিক স্থাপনার মধ্যে অন্যতম সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি। ছয় শতাধিক বছরের পুরোনো এ স্থাপনা এখনও সোনারগাঁয়ের সুলতানি আমলের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ স্মারক হয়ে রয়েছে।সোনারগাঁ উপজেলার শাহচিলাপুর এলাকায় পুরোনো মাঘদীঘির এক প্রান্তে, পাঁচপীর দরগাহের প্রায় ১০০ ফুট পূর্বে অবস্থিত গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি। সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের পর্যটন তথ্যেও স্থানটিকে গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।ঐতিহাসিক সূত্র অনুযায়ী, গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ছিলেন প্রথম ইলিয়াস শাহী বংশের তৃতীয় সুলতান। তাঁর শাসনকাল সাধারণত চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগ থেকে ১৪১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ধরা হয়। তাঁর সময়ে বাংলা রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি অঞ্চলে পরিণত হয়। পূর্ববাংলার গুরুত্বপূর্ণ নগর হিসেবে সোনারগাঁও তখন বিশেষ গুরুত্ব বহন করত।গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ শুধু শাসক হিসেবেই পরিচিত ছিলেন না; জ্ঞানচর্চা ও সাহিত্যপৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তাঁর পরিচিতি রয়েছে। ঐতিহাসিক সূত্রে পারস্যের বিখ্যাত কবি হাফিজের সঙ্গে তাঁর পত্রালাপের উল্লেখ পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন, সোনারগাঁয়ে পাটের মোড়ক ব্যবহার না করায় তিন ব্যবসায়ীকে জরিমানা

 তাঁর শাসনামলের সঙ্গে কবি শাহ মুহম্মদ সগীরের ‘ইউসুফ-জুলেখা’ কাব্যের পৃষ্ঠপোষকতার কথাও বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ রয়েছে।সমাধিটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর পাথরের নির্মাণশৈলী ও অলংকরণ। গবেষণামূলক বর্ণনায় সমাধির মূল কবরচিহ্নে কালচে পাথর ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। পাথরের গায়ে সূক্ষ্ম খোদাই ও অলংকরণের নিদর্শন পাওয়া যায়, যা সুলতানি আমলের শিল্পরুচি ও স্থাপত্যশৈলীর পরিচয় বহন করে।বাংলাপিডিয়ায় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধিকে বাংলার সুলতানি আমলের উল্লেখযোগ্য পাথরের সমাধি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। স্থাপনাটির পাথরের কারুকাজ মধ্যযুগীয় বাংলার স্থাপত্য ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত।তবে সমাধিটির পরিচয় নিয়ে একটি বিষয় উল্লেখযোগ্য। বর্তমানে এটি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি হিসেবে পরিচিত হলেও স্থাপনাটিতে তাঁর নাম-পরিচয় বহনকারী কোনো দৃশ্যমান শিলালিপি নেই। ফলে স্থাপত্যশৈলী, অবস্থান ও ঐতিহ্যগত পরিচয়ের ভিত্তিতে স্থাপনাটিকে তাঁর সমাধি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে গবেষণামূলক সূত্রে উল্লেখ পাওয়া যায়।সময় ও প্রাকৃতিক ক্ষয়ের কারণে সমাধিটির মূল কাঠামোর অনেক অংশ নষ্ট হয়েছে। ঊনবিংশ শতাব্দীতেও স্থাপনাটির জীর্ণদশার বর্ণনা পাওয়া যায়।১৮৭২ সালে ব্রিটিশ আলোকচিত্রী ডব্লিউ. ব্রেনান্ড সোনারগাঁ সফরের সময় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধির ধ্বংসাবশেষের ছবি ধারণ করেন। ব্রিটিশ লাইব্রেরির সংরক্ষিত আর্কাইভে সেই ছবির তথ্য রয়েছে। 

আরও  পড়ুন,  আখাউড়ায় রেলসেতুর পানিতে ভাসমান যুবকের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত

ঐতিহাসিক বর্ণনায় সমাধিটির পাথরের কাঠামো ও কারুকাজের পাশাপাশি তৎকালীন জীর্ণ অবস্থার কথাও উঠে এসেছে।তবে দীর্ঘ সময়ের ক্ষয় ও পরিবর্তনের পরও স্থাপনাটির গুরুত্বপূর্ণ অংশ টিকে আছে। ফলে এটি সোনারগাঁয়ের প্রত্নঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি সোনারগাঁয়ের বিচ্ছিন্ন কোনো স্থাপনা নয়। এর আশপাশের মোগরাপাড়া, শাহচিলাপুর, গোয়ালদীসহ বিভিন্ন এলাকায় মধ্যযুগীয় সোনারগাঁয়ের নানা প্রত্ননিদর্শন ছড়িয়ে রয়েছে।গোলদি মসজিদ, ফতেহ শাহের মসজিদ, দরগাবাড়ি কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন স্থাপনা এ অঞ্চলের দীর্ঘ ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। এসব নিদর্শন থেকে মধ্যযুগে সোনারগাঁয়ের রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও নগরজীবনের গুরুত্ব সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।ইতিহাস, স্থাপত্য ও প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি সোনারগাঁয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থাপনা। দেশ-বিদেশের ইতিহাসপ্রেমী, গবেষক ও পর্যটকদের কাছে এ ধরনের স্থাপনা মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাস জানার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হতে পারে।স্থানীয় ইতিহাসপ্রেমীরা বলছেন, সমাধি ও আশপাশের প্রত্ননিদর্শনগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণ, নিয়মিত পরিচর্যা এবং পর্যটনবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য ঐতিহাসিক তথ্যসমৃদ্ধ সাইনবোর্ড, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে এ অঞ্চলের পর্যটন সম্ভাবনা আরও বাড়তে পারে।ছয় শতাধিক বছর ধরে ইতিহাসের নানা পরিবর্তনের সাক্ষী হয়ে থাকা গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি শুধু একটি সমাধিস্থল নয়; এটি সোনারগাঁয়ের মধ্যযুগীয় ইতিহাস, সুলতানি স্থাপত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যথাযথ সংরক্ষণ ও প্রচারের মাধ্যমে ঐতিহাসিক এ স্থাপনাটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও বাংলার অতীত ইতিহাসের মূল্যবান নিদর্শন হিসেবে টিকে থাকতে পারে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সুলতানি আমলের স্মৃতি বহন করছে সোনারগাঁয়ের গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি
0:00 0:00
1.0x