ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে সরু সড়কে ধীরগতির যানবাহন চলাচল করায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দ্রুতগতির দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে ইজিবাইক, ভ্যানসহ ধীরগতির যান একই সড়কে চলাচল করায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। দীর্ঘদিনেও মহাসড়কটি প্রয়োজন অনুযায়ী সম্প্রসারণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী ও চালকেরা।মাদারীপুর সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান আমলে নির্মাণের পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি আর উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করা হয়নি। সময়ের সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যা ও চাপ বাড়লেও সড়কটি অনেকটা আগের অবস্থাতেই রয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন অন্তত ২৪ হাজার যানবাহন এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে। মহাসড়কের বিভিন্ন অংশের প্রস্থ ২৪ থেকে ৩০ ফুট হলেও মাদারীপুর অংশে এর প্রস্থ মাত্র ১৮ ফুট।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সরু সড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে ধীরগতির যান চলাচল করায় ওভারটেকিংয়ের সময় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ইজিবাইক, ভ্যান ও অন্যান্য স্থানীয় যানবাহনকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়।
আরও পড়ুন :বাসন থানার বিশেষ অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার
বিকল্প সড়ক না থাকায় অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে এসব যানবাহনে চলাচল করছেন।স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বড় একটি অংশ অরক্ষিত। সড়ক সরু হওয়ায় দূরপাল্লার দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে ধীরগতির যান চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁতিবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাতায়াতেও ধীরগতির যানবাহনের বিকল্প নেই।মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশের বিষয়টি তিনি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন। সংসদে সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী দ্রুত সড়কটি সম্প্রসারণের আশ্বাস দিয়েছেন।স্থানীয়দের দাবি, যানবাহনের চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত মহাসড়কটি সম্প্রসারণের পাশাপাশি ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক বা নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে দিন দিন এ মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
বিষয় : দুর্ঘটনার ঝুঁকি সরু সড়ক

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশে সরু সড়কে ধীরগতির যানবাহন চলাচল করায় বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি। দ্রুতগতির দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য যানবাহনের সঙ্গে ইজিবাইক, ভ্যানসহ ধীরগতির যান একই সড়কে চলাচল করায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। দীর্ঘদিনেও মহাসড়কটি প্রয়োজন অনুযায়ী সম্প্রসারণ না হওয়ায় ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন যাত্রী ও চালকেরা।মাদারীপুর সড়ক বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তান আমলে নির্মাণের পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কটি আর উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারণ করা হয়নি। সময়ের সঙ্গে যানবাহনের সংখ্যা ও চাপ বাড়লেও সড়কটি অনেকটা আগের অবস্থাতেই রয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন অন্তত ২৪ হাজার যানবাহন এ মহাসড়ক দিয়ে চলাচল করে। মহাসড়কের বিভিন্ন অংশের প্রস্থ ২৪ থেকে ৩০ ফুট হলেও মাদারীপুর অংশে এর প্রস্থ মাত্র ১৮ ফুট।স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সরু সড়কে দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে ধীরগতির যান চলাচল করায় ওভারটেকিংয়ের সময় ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে ইজিবাইক, ভ্যান ও অন্যান্য স্থানীয় যানবাহনকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় প্রায়ই দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দেয়।
আরও পড়ুন :বাসন থানার বিশেষ অভিযানে দুই আসামি গ্রেপ্তার
বিকল্প সড়ক না থাকায় অনেক যাত্রী বাধ্য হয়ে এসব যানবাহনে চলাচল করছেন।স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের বড় একটি অংশ অরক্ষিত। সড়ক সরু হওয়ায় দূরপাল্লার দ্রুতগতির যানবাহনের সঙ্গে ধীরগতির যান চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। তাঁতিবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে মস্তফাপুর বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাতায়াতেও ধীরগতির যানবাহনের বিকল্প নেই।মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর অংশের বিষয়টি তিনি জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেছেন। সংসদে সড়ক ও যোগাযোগমন্ত্রী দ্রুত সড়কটি সম্প্রসারণের আশ্বাস দিয়েছেন।স্থানীয়দের দাবি, যানবাহনের চাপের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দ্রুত মহাসড়কটি সম্প্রসারণের পাশাপাশি ধীরগতির যানবাহনের জন্য পৃথক বা নিরাপদ চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। তা না হলে দিন দিন এ মহাসড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

আপনার মতামত লিখুন