কক্সবাজারের রামুতে পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে ৫৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা ও বেলা পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ফতেখারকুল চৌমুহনী এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তার দুজনের বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫। ব্যাটালিয়নটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি মুঠোফোনসহ মো. শফি আলম (৪২)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত
এরপর একই এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করে আরও ২৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মুঠোফোনসহ মো. ইউনুছ (২০) নামে অপর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধার করা ইয়াবার মোট পরিমাণ ৫৯ হাজার ৭৭৫ পিস। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার জন্য তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এসআরবি-১৫-এর জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।
বিষয় : স্পেশাল মাদক কারবারি বিশেষ অভিযান

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
কক্সবাজারের রামুতে পৃথক দুটি বিশেষ অভিযানে ৫৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-১৫)। শুক্রবার (২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টা ও বেলা পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার ফতেখারকুল চৌমুহনী এলাকায় অভিযান দুটি পরিচালনা করা হয়।গ্রেপ্তার দুজনের বাড়ি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫। ব্যাটালিয়নটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রথম অভিযানে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি মুঠোফোনসহ মো. শফি আলম (৪২)কে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন, সাতক্ষীরায় মারামারি থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে কলেজছাত্র নিহত
এরপর একই এলাকায় দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করে আরও ২৯ হাজার ৭৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ সময় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি মুঠোফোনসহ মো. ইউনুছ (২০) নামে অপর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।এসআরবি-১৫ জানায়, উদ্ধার করা ইয়াবার মোট পরিমাণ ৫৯ হাজার ৭৭৫ পিস। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করার জন্য তাদের রামু থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, মাদকদ্রব্যের বিস্তার রোধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে এসআরবি-১৫-এর জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন