কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (এসআরএফটিআই) অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও সংগঠনটির সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যাম্পাসের প্রধান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান চলাকালে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংগঠনটি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে বাইরের একটি সংগঠনের অনুষ্ঠান আয়োজন এবং অনুষ্ঠানস্থলে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো নিয়ে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানান। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান এবং বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে তাদের ধাওয়া করা হয়। অন্যদিকে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়,
আড়ও পড়ুন,শাকিব-অপুর একমাত্র ছেলে জয়ের ১০ম জন্মদিন, ভালোবাসায় ভাসছেন তারকা বাবা-মা
শিক্ষার্থীরা তাদের অনুষ্ঠান বাধাগ্রস্ত করে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং সংগঠনের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় দুই পক্ষেরই আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে প্রায় ৩০ শিক্ষার্থী ও দুই শিক্ষক আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে আহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। ঘটনার পর ক্যাম্পাসের বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বিজেপির কয়েকজন নেতাকর্মীও জড়ো হন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসের বাইরে ও আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা ও ঘটনার তদন্তের দাবি জানান। সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, কলকাতা পুলিশ এ ঘটনায় তিনটি এফআইআর করেছে। এর মধ্যে একটি পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এবং অন্য দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। সোমবারও ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন ছিল এবং শিক্ষার্থীরা নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।
বিষয় : সংঘর্ষ শিক্ষার্থী গ্রাহক

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটে (এসআরএফটিআই) অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের একটি অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী ও সংগঠনটির সদস্যদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ক্যাম্পাসের প্রধান অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান চলাকালে এ সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংগঠনটি কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়েছিল বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও শিক্ষার্থীদের বক্তব্য অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে বাইরের একটি সংগঠনের অনুষ্ঠান আয়োজন এবং অনুষ্ঠানস্থলে ব্যানার-ফেস্টুন টাঙানো নিয়ে শিক্ষার্থীরা আপত্তি জানান। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে স্লোগান ও পাল্টা স্লোগান এবং বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে পরিস্থিতি হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের কয়েকজনকে মারধর করা হয়েছে এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে তাদের ধাওয়া করা হয়। অন্যদিকে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়,
আড়ও পড়ুন,শাকিব-অপুর একমাত্র ছেলে জয়ের ১০ম জন্মদিন, ভালোবাসায় ভাসছেন তারকা বাবা-মা
শিক্ষার্থীরা তাদের অনুষ্ঠান বাধাগ্রস্ত করে ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে এবং সংগঠনের সদস্যদের ওপর হামলা চালায়। ঘটনায় দুই পক্ষেরই আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে প্রায় ৩০ শিক্ষার্থী ও দুই শিক্ষক আহত হওয়ার কথা বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের একটি অংশকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে আহতের সংখ্যা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য রয়েছে। ঘটনার পর ক্যাম্পাসের বাইরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বিজেপির কয়েকজন নেতাকর্মীও জড়ো হন বলে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসের বাইরে ও আশপাশে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিরাপত্তা ও ঘটনার তদন্তের দাবি জানান। সর্বশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, কলকাতা পুলিশ এ ঘটনায় তিনটি এফআইআর করেছে। এর মধ্যে একটি পুলিশ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এবং অন্য দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে করা হয়েছে। সোমবারও ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন ছিল এবং শিক্ষার্থীরা নীরব প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

আপনার মতামত লিখুন