বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা বই প্রকাশের পর দলটির ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ নামের মরণোত্তর প্রকাশিত বইটিতে জামায়াতের সঙ্গে দীর্ঘ ৩৩ বছরের অভিজ্ঞতা এবং দলটির অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিতর্ক তুলে ধরেছেন আবদুর রাজ্জাক।বই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৬ সালে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে একটি বিবৃতির খসড়া তৈরি করতে বলেছিল। তার দাবি, ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা হলে জামায়াতকে ঘিরে অনেক প্রশ্নের সমাধান হতে পারত।আবদুর রাজ্জাকের বইয়ে বলা হয়েছে, একাত্তরের ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ জামায়াতের ভেতরে একাধিকবার নেওয়া হয়েছিল। তবে দলীয় নেতৃত্বের মতপার্থক্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের আপত্তির কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
আরও পড়ুন, ডা শফিকুর রহমানের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের সাক্ষাৎ
এদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ২০১৬ সালের ওই অপ্রকাশিত খসড়াকে দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বলা যাবে না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জামায়াতের নীতিনির্ধারণী তিন ফোরাম—নির্বাহী পরিষদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও মজলিসে শূরার কোনোটিই ওই বিবৃতি অনুমোদন করেনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দলটির অভ্যন্তরীণ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজও আলোচনায় জামায়াতসহ ইসলামপন্থী রাজনীতির ক্ষেত্রে অতীতের ভুল এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন।ফলে আবদুর রাজ্জাকের বই প্রকাশের পর জামায়াতের ১৯৭১ সালের ভূমিকা, ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ এবং দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকের লেখা বই প্রকাশের পর দলটির ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ নামের মরণোত্তর প্রকাশিত বইটিতে জামায়াতের সঙ্গে দীর্ঘ ৩৩ বছরের অভিজ্ঞতা এবং দলটির অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন বিতর্ক তুলে ধরেছেন আবদুর রাজ্জাক।বই প্রকাশনা অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ২০১৬ সালে জামায়াতের শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাককে ১৯৭১ সালের ভূমিকা নিয়ে একটি বিবৃতির খসড়া তৈরি করতে বলেছিল। তার দাবি, ওই বিবৃতিতে স্বাক্ষর করা হলে জামায়াতকে ঘিরে অনেক প্রশ্নের সমাধান হতে পারত।আবদুর রাজ্জাকের বইয়ে বলা হয়েছে, একাত্তরের ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ জামায়াতের ভেতরে একাধিকবার নেওয়া হয়েছিল। তবে দলীয় নেতৃত্বের মতপার্থক্য ও বিভিন্ন পর্যায়ের আপত্তির কারণে তা বাস্তবায়িত হয়নি।
আরও পড়ুন, ডা শফিকুর রহমানের সঙ্গে ডাকসু নেতাদের সাক্ষাৎ
এদিকে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেছেন, ২০১৬ সালের ওই অপ্রকাশিত খসড়াকে দলের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি বলা যাবে না। তার বক্তব্য অনুযায়ী, জামায়াতের নীতিনির্ধারণী তিন ফোরাম—নির্বাহী পরিষদ, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ ও মজলিসে শূরার কোনোটিই ওই বিবৃতি অনুমোদন করেনি।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কেউ কেউ দলটির অভ্যন্তরীণ সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলছেন। অধ্যাপক আলী রীয়াজও আলোচনায় জামায়াতসহ ইসলামপন্থী রাজনীতির ক্ষেত্রে অতীতের ভুল এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে বৃহত্তর আলোচনা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন।ফলে আবদুর রাজ্জাকের বই প্রকাশের পর জামায়াতের ১৯৭১ সালের ভূমিকা, ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগ এবং দলটির ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন