চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইন অর্ডার ও কমিশনের ফাঁদে ফেলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারণা চক্রের আরও দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।গ্রেফতাররা হলেন জুলহাস উদ্দিন ও প্রহড়। সিআইডি জানিয়েছে, এ নিয়ে এই চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ আগস্ট মেহেদি হক নিয়নকে টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। চাকরিতে আগ্রহী হওয়ার পর তাকে একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হয়।প্রথমে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্ন করলে কমিশন দেওয়ার কথা বলা হয়।
আরও পড়ুন, এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজ
কমিশন পাওয়ার পর ভুক্তভোগীর বিশ্বাস তৈরি হলে তাকে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।একপর্যায়ে জানানো হয়, বিভিন্ন ধাপে মোট ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি অর্ডারের বিপরীতে অ্যাকাউন্টে মুনাফার অর্থ দেখানো হলেও টাকা উত্তোলনের সময় নতুন নতুন শর্ত দেওয়া হতো।অতিরিক্ত অর্থ জমা দিয়ে আরও অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে দফায় দফায় টাকা নেওয়া হয়। এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানোর পর ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে সিআইডি।এর ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রহড়কে গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
বিষয় : আত্মসাৎ চাকরির প্রলোভন

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অনলাইন অর্ডার ও কমিশনের ফাঁদে ফেলে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারণা চক্রের আরও দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ সিআইডি।গ্রেফতাররা হলেন জুলহাস উদ্দিন ও প্রহড়। সিআইডি জানিয়েছে, এ নিয়ে এই চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।শুক্রবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ আগস্ট মেহেদি হক নিয়নকে টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি আইডি থেকে একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। চাকরিতে আগ্রহী হওয়ার পর তাকে একটি ফিশিং লিংকের মাধ্যমে ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হয়।প্রথমে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্ন করলে কমিশন দেওয়ার কথা বলা হয়।
আরও পড়ুন, এনআইডিতে ভুল থাকলে সংশোধনে লাগতে পারে যেসব কাগজ
কমিশন পাওয়ার পর ভুক্তভোগীর বিশ্বাস তৈরি হলে তাকে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে উৎসাহিত করা হয়।একপর্যায়ে জানানো হয়, বিভিন্ন ধাপে মোট ৯০টি অর্ডার সম্পন্ন করতে হবে। প্রতিটি অর্ডারের বিপরীতে অ্যাকাউন্টে মুনাফার অর্থ দেখানো হলেও টাকা উত্তোলনের সময় নতুন নতুন শর্ত দেওয়া হতো।অতিরিক্ত অর্থ জমা দিয়ে আরও অর্ডার সম্পন্ন করার কথা বলে দফায় দফায় টাকা নেওয়া হয়। এভাবে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে টাকা পাঠানোর পর ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় চলতি বছরের ৩ জানুয়ারি পল্টন থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী। পরে গোয়েন্দা তথ্য ও বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করে সিআইডি।এর ধারাবাহিকতায় কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জুলহাস উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রহড়কে গ্রেফতার করা হয়। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।

আপনার মতামত লিখুন