বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় ১৪ মাসের বেশি সময় পর আবারও মার্কিন ডলার বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি বাড়তি ডলারের চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ পদক্ষেপ নিয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ছয়টি ব্যাংকের কাছে মোট ১১ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়েছে।এদিকে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হারও কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ডলারের গড় দর দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। আগের দিন এ হার ছিল ১২৩ টাকা ২০ পয়সা।বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে দেশের আমদানি ব্যয়েও। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশের আমদানি ব্যয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন, জিবাজারে অবৈধ অর্থ ঠেকাতে বিএফআইইউর কঠোর নির্দেশনা
এর মধ্যে জুলাইয়ে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ।এ খাতে ব্যয় হয়েছে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।অন্যদিকে জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে বাজারে ডলার কেনা শুরু করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রায় ১৪ মাসে বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনেছে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার।তবে সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের চাহিদা বাড়ায় এবার বাজারে বিক্রেতা হিসেবে ফিরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডলারের বিনিময় হার ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার।
বিষয় : ডলার হস্তক্ষেপ বিক্রি শুরু

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বাড়ায় ১৪ মাসের বেশি সময় পর আবারও মার্কিন ডলার বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি বাড়তি ডলারের চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ পদক্ষেপ নিয়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোমবার ১৪ সেপ্টেম্বর ছয়টি ব্যাংকের কাছে মোট ১১ দশমিক ৫০ মিলিয়ন ডলার বিক্রি করা হয়েছে।এদিকে আন্তঃব্যাংক বাজারে ডলারের গড় বিনিময় হারও কিছুটা বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি ডলারের গড় দর দাঁড়িয়েছে ১২৩ টাকা ৩৫ পয়সা। আগের দিন এ হার ছিল ১২৩ টাকা ২০ পয়সা।বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে দেশের আমদানি ব্যয়েও। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে।বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের জুলাইয়ে দেশের আমদানি ব্যয় গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ৬ দশমিক ৪৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
আরও পড়ুন, জিবাজারে অবৈধ অর্থ ঠেকাতে বিএফআইইউর কঠোর নির্দেশনা
এর মধ্যে জুলাইয়ে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য আমদানিতে ব্যয় বেড়েছে ৮৩ দশমিক ৩ শতাংশ।এ খাতে ব্যয় হয়েছে ১ দশমিক ৩৭ বিলিয়ন ডলার।অন্যদিকে জুলাইয়ে দেশের রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ৪ দশমিক ৩৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে।এর আগে ২০২৫ সালের জুলাই থেকে বাজারে ডলার কেনা শুরু করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রায় ১৪ মাসে বাজার থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিনেছে প্রায় ৬০০ কোটি ডলার।তবে সাম্প্রতিক সময়ে ডলারের চাহিদা বাড়ায় এবার বাজারে বিক্রেতা হিসেবে ফিরেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ডলারের বিনিময় হার ও বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন অনুযায়ী এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।এদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ৩১ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে রিজার্ভ ছিল ২৫ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলার।

আপনার মতামত লিখুন