তীব্র গরমের মধ্যে দেশে আবারও নাজুক হয়ে উঠেছে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি। হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। একই সময়ে অচল রয়েছে আরএনপিএলের একটি ইউনিটও। এতে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট।বৃহস্পতিবার বিকালের হিসাবে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। ওই সময় বিদ্যুতের চাহিদা দেখানো হয় ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছিল ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট।বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদা বাড়লে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সাধারণত ১৪ হাজার থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত ওঠে। কিন্তু একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবার উৎপাদন নেমে গেছে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়েও অনেক নিচে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য জহুরুল ইসলাম জানান, হঠাৎ আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত সেটি মেরামতের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন, স্বজনের হাতেই স্বজন খুন, বাড়ছে পারিবারিক হত্যাকাণ্ড
একই সময়ে আরএনপিএলের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে। দুই কেন্দ্র মিলিয়ে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়েছে।বিদ্যুতের এই ঘাটতির পেছনে শুধু একটি কেন্দ্রের ত্রুটি নয়, একাধিক সমস্যাই একসঙ্গে কাজ করছে। কয়লা ও গ্যাসভিত্তিক কয়েকটি কেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের চাপ আরও বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে গ্রাহকদের ওপর।তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার রাত ১১টার দিকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ১ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াট থেকে কমে ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে।একই সময়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৫৭ মেগাওয়াট। একদিন আগেও এসব কেন্দ্র থেকে উৎপাদন ছিল ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।এ ছাড়া কারিগরি ত্রুটির কারণে আশুগঞ্জের ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে। একদিন আগেও কেন্দ্রটি ৩১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিল।অন্যদিকে গ্যাস সংকটেও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ অথবা কম সক্ষমতায় চলছে। শুধু ঢাকা অঞ্চলে অন্তত সাতটি কেন্দ্র গ্যাস সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলেও একটি করে কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে।
বিষয় : লোডশেডিং তীব্র গরম বিদ্যুতের সংকট

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র গরমের মধ্যে দেশে আবারও নাজুক হয়ে উঠেছে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি। হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেছে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট। একই সময়ে অচল রয়েছে আরএনপিএলের একটি ইউনিটও। এতে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের ঘাটতি তৈরি হয়েছে। সব মিলিয়ে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছাড়িয়েছে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট।বৃহস্পতিবার বিকালের হিসাবে দেশে বিদ্যুতের ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৫৫৭ মেগাওয়াট। ওই সময় বিদ্যুতের চাহিদা দেখানো হয় ১৬ হাজার ৩৪৫ মেগাওয়াট। বিপরীতে উৎপাদন হচ্ছিল ১২ হাজার ৭৮৮ মেগাওয়াট।বিদ্যুৎ খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদা বাড়লে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন সাধারণত ১৪ হাজার থেকে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াট পর্যন্ত ওঠে। কিন্তু একের পর এক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এবার উৎপাদন নেমে গেছে স্বাভাবিক মাত্রার চেয়েও অনেক নিচে।বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সদস্য জহুরুল ইসলাম জানান, হঠাৎ আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট বন্ধ হয়ে গেছে। দ্রুত সেটি মেরামতের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন, স্বজনের হাতেই স্বজন খুন, বাড়ছে পারিবারিক হত্যাকাণ্ড
একই সময়ে আরএনপিএলের একটি ইউনিটও বন্ধ রয়েছে। দুই কেন্দ্র মিলিয়ে নতুন করে প্রায় ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ঘাটতি তৈরি হয়েছে।বিদ্যুতের এই ঘাটতির পেছনে শুধু একটি কেন্দ্রের ত্রুটি নয়, একাধিক সমস্যাই একসঙ্গে কাজ করছে। কয়লা ও গ্যাসভিত্তিক কয়েকটি কেন্দ্রের উৎপাদন কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের চাপ আরও বেড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে গ্রাহকদের ওপর।তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, বুধবার রাত ১১টার দিকে আদানি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ১ হাজার ৪৩০ মেগাওয়াট থেকে কমে ৭৫৮ মেগাওয়াটে নেমে আসে।একই সময়ে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মোট উৎপাদন কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৮৫৭ মেগাওয়াট। একদিন আগেও এসব কেন্দ্র থেকে উৎপাদন ছিল ৫ হাজার ২০০ মেগাওয়াট।এ ছাড়া কারিগরি ত্রুটির কারণে আশুগঞ্জের ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কেন্দ্রও বন্ধ রয়েছে। একদিন আগেও কেন্দ্রটি ৩১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছিল।অন্যদিকে গ্যাস সংকটেও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ অথবা কম সক্ষমতায় চলছে। শুধু ঢাকা অঞ্চলে অন্তত সাতটি কেন্দ্র গ্যাস সংকটে ক্ষতিগ্রস্ত। চট্টগ্রাম, কুমিল্লা ও ময়মনসিংহ অঞ্চলেও একটি করে কেন্দ্র বন্ধ রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন