দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রত্যেক নাগরিকের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রত্যেক নাগরিকের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিত করাকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য—‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’। বর্তমান বিশ্বে সাক্ষরতার ধারণা শুধু পড়া, লেখা ও গণনার মৌলিক সক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল দক্ষতা, তথ্য ব্যবহারের সক্ষমতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, জীবনদক্ষতা, পরিবেশ সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।তিনি বলেন, সনদনির্ভর শিক্ষা থেকে দক্ষতাভিত্তিক, কর্মমুখী ও নৈতিক শিক্ষায় উত্তরণই এখন শিক্ষানীতির অন্যতম লক্ষ্য। সাক্ষরতা শুধু নিরক্ষরতা দূর করার কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই সমৃদ্ধির ভিত্তি।প্রধানমন্ত্রী জানান, সবার জন্য কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

আরও  পড়ুন, রোহিঙ্গা সংকটে অর্থায়ন বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনগুলোর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

একইসঙ্গে সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মানবিক ও নাগরিক মূল্যবোধ বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।তারেক রহমান বলেন, সাক্ষরতার পরবর্তী ধাপ হবে দক্ষতা; আর দক্ষতার লক্ষ্য হবে আত্মনির্ভরতা ও কর্মসংস্থান। এজন্য সাক্ষরতা কার্যক্রমের সঙ্গে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তি শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণকে কার্যকরভাবে যুক্ত করতে হবে।বিশেষ করে গ্রামীণ শিক্ষাবঞ্চিত নারী, গৃহিণী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মূলধারায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাউকে পেছনে না রেখে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, গণমাধ্যম ও সর্বস্তরের জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

বিষয় : প্রযুক্তিগত অগ্রাধিকার প্রত্যেক নাগরিক

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬


প্রত্যেক নাগরিকের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা নিশ্চিত সরকারের অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিত করাকে সরকারের অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবারের আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের প্রতিপাদ্য—‘মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’। বর্তমান বিশ্বে সাক্ষরতার ধারণা শুধু পড়া, লেখা ও গণনার মৌলিক সক্ষমতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ডিজিটাল দক্ষতা, তথ্য ব্যবহারের সক্ষমতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, সৃজনশীলতা, জীবনদক্ষতা, পরিবেশ সচেতনতা এবং প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সক্ষমতা।তিনি বলেন, সনদনির্ভর শিক্ষা থেকে দক্ষতাভিত্তিক, কর্মমুখী ও নৈতিক শিক্ষায় উত্তরণই এখন শিক্ষানীতির অন্যতম লক্ষ্য। সাক্ষরতা শুধু নিরক্ষরতা দূর করার কর্মসূচি নয়; এটি মানুষের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, সামাজিক অন্তর্ভুক্তি ও টেকসই সমৃদ্ধির ভিত্তি।প্রধানমন্ত্রী জানান, সবার জন্য কার্যকর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। পর্যায়ক্রমে এই বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।

আরও  পড়ুন, রোহিঙ্গা সংকটে অর্থায়ন বাড়াতে জাপানি ফাউন্ডেশনগুলোর সহযোগিতা চাইল বাংলাদেশ

একইসঙ্গে সর্বজনীন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা, শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশ, মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষা এবং প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মানবিক ও নাগরিক মূল্যবোধ বিকাশে বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা উল্লেখ করেন সরকারপ্রধান।তারেক রহমান বলেন, সাক্ষরতার পরবর্তী ধাপ হবে দক্ষতা; আর দক্ষতার লক্ষ্য হবে আত্মনির্ভরতা ও কর্মসংস্থান। এজন্য সাক্ষরতা কার্যক্রমের সঙ্গে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা, প্রযুক্তি শিক্ষা, ডিজিটাল দক্ষতা এবং কর্মমুখী প্রশিক্ষণকে কার্যকরভাবে যুক্ত করতে হবে।বিশেষ করে গ্রামীণ শিক্ষাবঞ্চিত নারী, গৃহিণী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নের মূলধারায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাউকে পেছনে না রেখে প্রত্যেক নাগরিকের জন্য জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতার সুযোগ নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবসের কর্মসূচি সফল করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক, শিক্ষাবিদ, বেসরকারি খাত, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, গণমাধ্যম ও সর্বস্তরের জনগণকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত