জামায়াত ঘোষিত লংমার্চের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখা এবং প্রায় এক লাখ লিটার তেল অপচয়ের ফলে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী, সচিব পদমর্যাদার মো. রাশেদ খাঁন।শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন।রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন লংমার্চে দলটির নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের তেমন আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নেই। তার ভাষ্য, লংমার্চ ঘিরে প্রত্যাশিত জনসমাগম হয়নি।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, এসব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে সাধারণ মানুষ যথেষ্ট অবগত। ছয় মাসের সরকারের ওপর দীর্ঘদিনের সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই জাতীয় সংসদ সনদ বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন, ডাকযোগে যাচ্ছে ফ্রিজ-মোটরসাইকেল, দুই মাসে পরিবহন ৪০০ টন পণ্য
লংমার্চের ছয় দফা দাবি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, এসব দাবিতে জনগণের আগ্রহ নেই। বরং রাস্তাঘাট বন্ধ রাখা ও বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের কারণে জনভোগান্তি এবং জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে।ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, লংমার্চের কারণে এসব যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লোকসান হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।শেষে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জামায়াত জনগণের ওপর ‘লংমার্চ’ নামের আন্দোলন চাপিয়ে দিয়েছে।তবে লংমার্চ আয়োজক ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে কর্মসূচিটিকে জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামায়াত ঘোষিত লংমার্চের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ রাখা এবং প্রায় এক লাখ লিটার তেল অপচয়ের ফলে জনভোগান্তি ও জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী, সচিব পদমর্যাদার মো. রাশেদ খাঁন।শনিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা লেখেন।রাশেদ খাঁন দাবি করেন, জামায়াত নেতৃত্বাধীন লংমার্চে দলটির নেতাকর্মীদের বাইরে সাধারণ মানুষের তেমন আগ্রহ ও অংশগ্রহণ নেই। তার ভাষ্য, লংমার্চ ঘিরে প্রত্যাশিত জনসমাগম হয়নি।বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও গ্যাস সংকটের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী বলেন, এসব জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংকট সম্পর্কে সাধারণ মানুষ যথেষ্ট অবগত। ছয় মাসের সরকারের ওপর দীর্ঘদিনের সমস্যা ও অব্যবস্থাপনার দায় চাপানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, জুলাই জাতীয় সংসদ সনদ বাস্তবায়নে সরকার সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরও পড়ুন, ডাকযোগে যাচ্ছে ফ্রিজ-মোটরসাইকেল, দুই মাসে পরিবহন ৪০০ টন পণ্য
লংমার্চের ছয় দফা দাবি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন রাশেদ খাঁন। তার দাবি, এসব দাবিতে জনগণের আগ্রহ নেই। বরং রাস্তাঘাট বন্ধ রাখা ও বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের কারণে জনভোগান্তি এবং জ্বালানি সংকট আরও বাড়ছে।ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক যাত্রী ও পণ্যবাহী যান চলাচল করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, লংমার্চের কারণে এসব যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এতে রাষ্ট্রের কোটি কোটি টাকা লোকসান হতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।শেষে রাশেদ খাঁন অভিযোগ করেন, দলীয় স্বার্থে এবং মিথ্যাচার ও প্রতারণাকে পুঁজি করে জামায়াত জনগণের ওপর ‘লংমার্চ’ নামের আন্দোলন চাপিয়ে দিয়েছে।তবে লংমার্চ আয়োজক ১১ দলীয় ঐক্যের পক্ষ থেকে কর্মসূচিটিকে জনগণের দাবি আদায়ের আন্দোলন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন