দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

ডিম-মাছ-মুরগির চড়া দামে চাপে ক্রেতা, কমেছে সবজির দাম

ডিম-মাছ-মুরগির চড়া দামে চাপে ক্রেতা, কমেছে সবজির দাম
কমেছে সবজির দাম

রাজধানীর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম, মাছ ও মুরগি। এর সঙ্গে আটা ও চিনির দামও বেড়েছে। তবে সরবরাহ বাড়ায় কিছুটা কমেছে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম।শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, বাড্ডা ও মহাখালীর বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।বাজারে নতুন করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ায় ভোক্তাদের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আটা, ময়দা, চিনি, ডাল, গুঁড়া দুধসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।ব্যবসায়ীদের মতে, গ্যাসসংকটের কারণে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আটা, ময়দা, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো পণ্যের সরবরাহেও প্রভাব পড়ছে।বাজারে এখনো প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকা দরে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এই বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে। এর আগে ডিমের ডজন ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে।আটার দামও বেড়েছে। প্যাকেটজাত দুই কেজির আটা এখন ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই পরিমাণ আটার দাম ছিল ১২০ টাকা। খোলা আটার দাম বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা কেজি।মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজির ইলিশের দাম উঠেছে ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত।মুরগির বাজারেও বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে। ব্রয়লার ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে।তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে।

আড়ও পড়ুন,কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাপার প্রশিক্ষণ, দক্ষতা অর্জন ৪৬ হাজারের বেশি

সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। পটোল ও ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল ৬০, শসা ৫০ থেকে ৬০ এবং পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।পেঁয়াজ ও আলুর দামেও বড় পরিবর্তন নেই। পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।সব মিলিয়ে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও মাছ, মুরগি ও ডিমের চড়া দাম এবং ভোজ্যতেলসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের বাজারের চাপ কমেনি। ক্রেতাদের প্রত্যাশা, বাজারে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।

বিষয় : দাম সবজি

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ডিম-মাছ-মুরগির চড়া দামে চাপে ক্রেতা, কমেছে সবজির দাম

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বাজারে দীর্ঘদিন ধরে বাড়তি দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম, মাছ ও মুরগি। এর সঙ্গে আটা ও চিনির দামও বেড়েছে। তবে সরবরাহ বাড়ায় কিছুটা কমেছে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম।শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজার, বাড্ডা ও মহাখালীর বাজার ঘুরে এমন চিত্র পাওয়া গেছে।বাজারে নতুন করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ৫ টাকা বাড়ায় ভোক্তাদের ব্যয়ের চাপ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আটা, ময়দা, চিনি, ডাল, গুঁড়া দুধসহ বেশ কিছু নিত্যপণ্যের দাম বেড়েছে।ব্যবসায়ীদের মতে, গ্যাসসংকটের কারণে শিল্প-কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় আটা, ময়দা, চিনি ও ভোজ্যতেলের মতো পণ্যের সরবরাহেও প্রভাব পড়ছে।বাজারে এখনো প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১৫০ টাকা দরে। এক মাসেরও বেশি সময় ধরে এই বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে। এর আগে ডিমের ডজন ছিল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার মধ্যে।আটার দামও বেড়েছে। প্যাকেটজাত দুই কেজির আটা এখন ১৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। কয়েক সপ্তাহ আগেও একই পরিমাণ আটার দাম ছিল ১২০ টাকা। খোলা আটার দাম বেড়ে হয়েছে ৫০ টাকা কেজি।মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০, রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজির ইলিশের দাম উঠেছে ২ হাজার ২৫০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত।মুরগির বাজারেও বাড়তি দাম অব্যাহত রয়েছে। ব্রয়লার ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে।তবে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজির বাজারে।

আড়ও পড়ুন,কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাপার প্রশিক্ষণ, দক্ষতা অর্জন ৪৬ হাজারের বেশি

সরবরাহ বাড়ায় অধিকাংশ সবজি ৬০ থেকে ৭০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। পটোল ও ঢেঁড়স ৫০ থেকে ৬০, চিচিঙ্গা ও ধুন্দল ৬০, শসা ৫০ থেকে ৬০ এবং পেঁপে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।পেঁয়াজ ও আলুর দামেও বড় পরিবর্তন নেই। পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।সব মিলিয়ে সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি এলেও মাছ, মুরগি ও ডিমের চড়া দাম এবং ভোজ্যতেলসহ কয়েকটি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের বাজারের চাপ কমেনি। ক্রেতাদের প্রত্যাশা, বাজারে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রাখতে কার্যকর নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত