দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাপার প্রশিক্ষণ, দক্ষতা অর্জন ৪৬ হাজারের বেশি

কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাপার প্রশিক্ষণ, দক্ষতা অর্জন ৪৬ হাজারের বেশি
কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাপার প্রশিক্ষণ

কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন—বাপা।অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য দক্ষতা ত্বরান্বিত ও শক্তিশালীকরণ বা অ্যাসেট প্রকল্পের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ১ হাজার ৯১৯টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন ৪৬ হাজার ৫৬ জন। ব্যাচভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রার হিসাবে অর্জনের হার শতভাগ।প্রশিক্ষণে শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি শিল্পকারখানায় হাতে-কলমে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন প্রশিক্ষণার্থীরা। উৎপাদনপ্রক্রিয়া, যন্ত্রপাতি পরিচালনা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ।খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মোড়কজাতকরণ যন্ত্র পরিচালনা, খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, বেকারি পণ্য প্রস্তুত, খাদ্য সংরক্ষণ ও বিক্রয় পেশাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ চলছে।আকিজ, প্রাণ, হাশেম ফুডস, টি কে গ্রুপ, মেঘনা, ওয়েল ফুডস, বনফুল, ফুলকলি, কিষোয়ানসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান এই কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে। ফলে প্রশিক্ষণ শুধু রাজধানী বা নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই।

আরও  পড়ুন. পোলাওর চালের দাম দ্বিগুণ, দায় রপ্তানি নাকি কৃত্রিম সংকট

মোট প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে নারী ২৬ হাজার ৯৬ জন এবং পুরুষ ১৯ হাজার ৯৬০ জন। অর্থাৎ নারীর অংশগ্রহণ ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এছাড়া ৫৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৫৫৮ সদস্যও প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন।প্রশিক্ষণের পর দক্ষতা মূল্যায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে ৩০ হাজার ৮৬০ জন মূল্যায়নে অংশ নিয়ে যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৬৫ জন। অর্জনের হার ৯৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ।এ পর্যন্ত চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য রেকর্ড হয়েছে ২০ হাজার ৮০৫ জনের। তবে প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও কর্মসংস্থান অনুসরণ কার্যক্রম চলমান থাকায় এই সংখ্যাকে চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য শুধু দক্ষতা অর্জন নয়; সেই দক্ষতাকে চাকরি, আত্মকর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে রূপ দেওয়া। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংযোগ আরও জোরদার করে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদে শিল্পের চাহিদা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরও উচ্চতর দক্ষতা প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।

বিষয় : কার্যক্রম শিল্পপ্রতিষ্ঠান কৃষি-খাদ্য

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


কৃষি-খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণে বাপার প্রশিক্ষণ, দক্ষতা অর্জন ৪৬ হাজারের বেশি

প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতে দক্ষ জনবল তৈরিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পপ্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন—বাপা।অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য দক্ষতা ত্বরান্বিত ও শক্তিশালীকরণ বা অ্যাসেট প্রকল্পের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আওতায় আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত ১ হাজার ৯১৯টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন ৪৬ হাজার ৫৬ জন। ব্যাচভিত্তিক লক্ষ্যমাত্রার হিসাবে অর্জনের হার শতভাগ।প্রশিক্ষণে শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি শিল্পকারখানায় হাতে-কলমে কাজের সুযোগ পাচ্ছেন প্রশিক্ষণার্থীরা। উৎপাদনপ্রক্রিয়া, যন্ত্রপাতি পরিচালনা, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণের মতো বিষয়ে দেওয়া হচ্ছে বাস্তবভিত্তিক প্রশিক্ষণ।খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, মোড়কজাতকরণ যন্ত্র পরিচালনা, খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, বেকারি পণ্য প্রস্তুত, খাদ্য সংরক্ষণ ও বিক্রয় পেশাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ চলছে।আকিজ, প্রাণ, হাশেম ফুডস, টি কে গ্রুপ, মেঘনা, ওয়েল ফুডস, বনফুল, ফুলকলি, কিষোয়ানসহ দেশের বিভিন্ন শিল্পপ্রতিষ্ঠান এই কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত রয়েছে। ফলে প্রশিক্ষণ শুধু রাজধানী বা নির্দিষ্ট শিল্পাঞ্চলে সীমাবদ্ধ নেই।

আরও  পড়ুন. পোলাওর চালের দাম দ্বিগুণ, দায় রপ্তানি নাকি কৃত্রিম সংকট

মোট প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে নারী ২৬ হাজার ৯৬ জন এবং পুরুষ ১৯ হাজার ৯৬০ জন। অর্থাৎ নারীর অংশগ্রহণ ৫৬ দশমিক ৬৬ শতাংশ। এছাড়া ৫৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ৫৫৮ সদস্যও প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন।প্রশিক্ষণের পর দক্ষতা মূল্যায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে ৩০ হাজার ৮৬০ জন মূল্যায়নে অংশ নিয়ে যোগ্য বিবেচিত হয়েছেন ২৮ হাজার ৮৬৫ জন। অর্জনের হার ৯৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ।এ পর্যন্ত চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য রেকর্ড হয়েছে ২০ হাজার ৮০৫ জনের। তবে প্রশিক্ষণ, মূল্যায়ন ও কর্মসংস্থান অনুসরণ কার্যক্রম চলমান থাকায় এই সংখ্যাকে চূড়ান্ত ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম জানিয়েছেন, প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য শুধু দক্ষতা অর্জন নয়; সেই দক্ষতাকে চাকরি, আত্মকর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে রূপ দেওয়া। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সংযোগ আরও জোরদার করে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদে শিল্পের চাহিদা ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আরও উচ্চতর দক্ষতা প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত