স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনকে সামনে রেখে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।বুধবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ৭ সেপ্টেম্বর।এ ছাড়া ভোটার স্থানান্তরের জন্য দাখিল করা আবেদন ইস্যুর শেষ তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এসব আবেদন নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার স্থানান্তরসংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য এই সময়সূচি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।অর্থাৎ যারা আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে বর্তমান ভোটার এলাকা থেকে নতুন ঠিকানার ভোটার এলাকায় স্থানান্তর হতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৭ সেপ্টেম্বরের পর নতুন করে এ ধরনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এরপর দাখিল করা আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনকে সামনে রেখে আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন করা যাবে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।বুধবার নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. নাসির উদ্দিন চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।ইসির চিঠিতে বলা হয়েছে, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার স্থানান্তরের জন্য আবেদন গ্রহণের শেষ সময় ৭ সেপ্টেম্বর।এ ছাড়া ভোটার স্থানান্তরের জন্য দাখিল করা আবেদন ইস্যুর শেষ তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। আর এসব আবেদন নিষ্পত্তির শেষ তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর।
আরও পড়ুন, বাংলাদেশ পুলিশের ৬ কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন, ১২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে যোগদানের নির্দেশ
স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটার স্থানান্তরসংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য এই সময়সূচি নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন।অর্থাৎ যারা আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে বর্তমান ভোটার এলাকা থেকে নতুন ঠিকানার ভোটার এলাকায় স্থানান্তর হতে চান, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী, ৭ সেপ্টেম্বরের পর নতুন করে এ ধরনের আবেদন গ্রহণ করা হবে না। এরপর দাখিল করা আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন