বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের তৈরি পোশাক খাতে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবং ইন্টারনেট অব থিংস—আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎপাদন লাইনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রযুক্তি ও ডিভাইস ব্যবহার করে এখন নেওয়া হচ্ছে রিয়েল-টাইম তথ্য। এতে দ্রুত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বাড়ছে উৎপাদনশীলতা।দেশের কয়েকটি বড় পোশাক কারখানায় ইতোমধ্যে চালু হয়েছে ডিজিটাল উৎপাদন মনিটরিং ব্যবস্থা। কোথাও নির্দিষ্ট উৎপাদন লাইনে, আবার কোথাও প্রতিটি সেলাই মেশিনকে আইওটির আওতায় আনা হয়েছে।ধামরাইয়ের স্নোটেক্স গ্রুপ জানিয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে তাদের সব কারখানার প্রায় ১০ হাজার সেলাই মেশিনে আইওটি ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রযুক্তি চালুর পর উৎপাদনশীলতা বেড়েছে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত।এই ব্যবস্থায় প্রতিটি মেশিন ও অপারেটরের উৎপাদন পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায়। মেশিনের গতি কমে গেলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থায় তা ধরা পড়ে।
আরও পড়ুন, আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬
ফলে দ্রুত সমস্যা সমাধান করে কমানো যায় উৎপাদন বন্ধ থাকার সময়।ময়মনসিংহের ভালুকার স্প্যারো গ্রুপও প্রায় ছয় মাস ধরে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রায় অর্ধেক সেলাই মেশিনে আইওটি ডিভাইস যুক্ত হয়েছে। এতে উৎপাদনশীলতা ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।এদিকে, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে শ্রমিকদের জন্য চালু হয়েছে প্রণোদনা বা ইনসেনটিভ। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বেশি উৎপাদনের পাশাপাশি পণ্যের মান ও ত্রুটির হার বিবেচনায় নিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়তি অর্থ।তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কারণে শ্রমিকদের ওপর বাড়তি কাজের চাপ তৈরি হতে পারে।শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই। তাই ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এআই ও আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে বলেই মনে করছেন তারা।

মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে দেশের তৈরি পোশাক খাতে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এবং ইন্টারনেট অব থিংস—আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার। উৎপাদন লাইনের বিভিন্ন পর্যায়ে প্রযুক্তি ও ডিভাইস ব্যবহার করে এখন নেওয়া হচ্ছে রিয়েল-টাইম তথ্য। এতে দ্রুত সিদ্ধান্তের পাশাপাশি বাড়ছে উৎপাদনশীলতা।দেশের কয়েকটি বড় পোশাক কারখানায় ইতোমধ্যে চালু হয়েছে ডিজিটাল উৎপাদন মনিটরিং ব্যবস্থা। কোথাও নির্দিষ্ট উৎপাদন লাইনে, আবার কোথাও প্রতিটি সেলাই মেশিনকে আইওটির আওতায় আনা হয়েছে।ধামরাইয়ের স্নোটেক্স গ্রুপ জানিয়েছে, ২০২৩ সাল থেকে তাদের সব কারখানার প্রায় ১০ হাজার সেলাই মেশিনে আইওটি ডিভাইস ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, প্রযুক্তি চালুর পর উৎপাদনশীলতা বেড়েছে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত।এই ব্যবস্থায় প্রতিটি মেশিন ও অপারেটরের উৎপাদন পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যায়। মেশিনের গতি কমে গেলে বা কোনো ত্রুটি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থায় তা ধরা পড়ে।
আরও পড়ুন, আইসিসিবিতে ৩ সেপ্টেম্বর শুরু কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬
ফলে দ্রুত সমস্যা সমাধান করে কমানো যায় উৎপাদন বন্ধ থাকার সময়।ময়মনসিংহের ভালুকার স্প্যারো গ্রুপও প্রায় ছয় মাস ধরে প্রযুক্তিটি ব্যবহার করছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রায় অর্ধেক সেলাই মেশিনে আইওটি ডিভাইস যুক্ত হয়েছে। এতে উৎপাদনশীলতা ৫ থেকে ১০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।এদিকে, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে শ্রমিকদের জন্য চালু হয়েছে প্রণোদনা বা ইনসেনটিভ। নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বেশি উৎপাদনের পাশাপাশি পণ্যের মান ও ত্রুটির হার বিবেচনায় নিয়ে দেওয়া হচ্ছে বাড়তি অর্থ।তবে শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার কারণে শ্রমিকদের ওপর বাড়তি কাজের চাপ তৈরি হতে পারে।শিল্পসংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও কম্বোডিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বাংলাদেশের পোশাকশিল্পে ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই। তাই ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে এআই ও আইওটি প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে বলেই মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন