মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।এর আগে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হিটু শেখ। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে উচ্চ আদালতে আসে।শুনানি শেষে আজ বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলেন হাইকোর্ট।২০২৫ সালের ৫ মার্চ মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। অভিযোগ, ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যারও চেষ্টা করা হয়।
আরও পড়ুন, সালমান এফ রহমানের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী
গুরুতর আহত অবস্থায় আছিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে বিচারিক আদালতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়।পরে ২০২৫ সালের ১৭ মে রায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত।বিচারিক আদালতের রায়ের পর আইনি প্রক্রিয়ায় মামলাটি হাইকোর্টে আসে। শুনানি শেষে আজ হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলেন উচ্চ আদালত।

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট।সোমবার বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।এর আগে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এ মামলায় প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেন। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন হিটু শেখ। পাশাপাশি মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে উচ্চ আদালতে আসে।শুনানি শেষে আজ বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলেন হাইকোর্ট।২০২৫ সালের ৫ মার্চ মাগুরা সদর উপজেলার নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয় আট বছরের শিশু আছিয়া। অভিযোগ, ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যারও চেষ্টা করা হয়।
আরও পড়ুন, সালমান এফ রহমানের পক্ষে বিদেশি আইনজীবী
গুরুতর আহত অবস্থায় আছিয়াকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ২০২৫ সালের ১৩ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।২৩ এপ্রিল অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে বিচার শুরু হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২৯ জনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসে বিচারিক আদালতে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষ হয়।পরে ২০২৫ সালের ১৭ মে রায়ে হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। মামলার অপর তিন আসামিকে খালাস দেন আদালত।বিচারিক আদালতের রায়ের পর আইনি প্রক্রিয়ায় মামলাটি হাইকোর্টে আসে। শুনানি শেষে আজ হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখলেন উচ্চ আদালত।

আপনার মতামত লিখুন