নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।শনিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ চলে। একপর্যায়ে সোনাপুর-বসুরহাট সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে পদ পাওয়া ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে এরপর থেকেই উত্তেজনা চলছিল।
আরও পড়ুন, চরফ্যাশনে ভারতীয় অবৈধ ট্রলিংবোটসহ ১১ জাল জব্দ, পালাল জেলেরা
এর ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে দিদিমণি বাজার ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আতঙ্কে সাধারণ মানুষও নিরাপদে সরে যান।সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. লিয়াকত আকবর জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছাত্রদলের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।শনিবার বিকেল ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষ চলে। একপর্যায়ে সোনাপুর-বসুরহাট সড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে পদ পাওয়া ও পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মধ্যে এরপর থেকেই উত্তেজনা চলছিল।
আরও পড়ুন, চরফ্যাশনে ভারতীয় অবৈধ ট্রলিংবোটসহ ১১ জাল জব্দ, পালাল জেলেরা
এর ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে দুই পক্ষের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, সংঘর্ষে লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। এতে দিদিমণি বাজার ও ইউনিয়ন পরিষদ এলাকার পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। আতঙ্কে সাধারণ মানুষও নিরাপদে সরে যান।সংঘর্ষে দুই পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যান।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মো. লিয়াকত আকবর জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন