আলোচিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয় হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। তবে এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার বীর বিক্রম মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এবং এতে যোগ দিলে দেশের কী ধরনের সুবিধা হতে পারে—তা জানতে চান।জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়।
আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিলিটারি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা সেনাপ্রধানের
তিনি আরও বলেন, চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর।সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চুক্তিতে সই করেন।বাংলাদেশ এই চুক্তিতে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সুবিধা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় এর সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও রয়েছে আলোচনা।

বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ আগস্ট ২০২৬
আলোচিত মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিকে বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয় হিসেবে দেখছে বাংলাদেশ। তবে এই চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদান সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর নির্ভর করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার বীর বিক্রম মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমদ।ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা মক্কা চুক্তিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের সম্ভাবনা এবং এতে যোগ দিলে দেশের কী ধরনের সুবিধা হতে পারে—তা জানতে চান।জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এই চুক্তিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। এটি বিশ্ব মুসলিম পরিবারের আত্মরক্ষার বিষয়।
আরও পড়ুন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মিলিটারি পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা সেনাপ্রধানের
তিনি আরও বলেন, চুক্তিতে বাংলাদেশের যোগদানের বিষয়টি নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সদস্য দেশগুলোর ইচ্ছার ওপর।সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে পারস্পরিক নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি সই করে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।গত ৭ আগস্ট মক্কায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ চুক্তিতে সই করেন।বাংলাদেশ এই চুক্তিতে যুক্ত হলে সামরিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সুবিধা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন কেউ কেউ। তবে দক্ষিণ এশিয়ায় এর সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রভাব নিয়েও রয়েছে আলোচনা।

আপনার মতামত লিখুন