রাস্তা নেই, নেই সেতু কিংবা নিয়মিত নৌযান। তাই একের পর এক খাল সাঁতরে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। শীত, বর্ষা কিংবা বসন্ত—বারো মাসই একই দুর্ভোগ। ঝুঁকিপূর্ণ এই যাতায়াতের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসার আগ্রহও হারিয়ে ফেলছে।পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের যোগাযোগবিচ্ছিন্ন চরকারফারমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এমনই। স্কুলে যেতে শিক্ষার্থীদের অন্তত পাঁচটি খাল সাঁতরে পাড়ি দিতে হয়। বৃষ্টির দিনে বই-খাতা ভিজে যায়, শরীরও থাকে পানিতে ভেজা। অসুস্থ হয়ে অনেক সময় স্কুলে যাওয়া বন্ধ রাখতে হয় তাদের।স্থানীয়রা জানান, চরকারফারমায় প্রায় ৮০টি পরিবার বসবাস করে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সেখানে তৈরি হয়নি প্রয়োজনীয় সড়ক যোগাযোগ। স্কুলের শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার পেছনেও যোগাযোগ সংকটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, চকরিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্তে পুলিশ
একই চিত্র বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নে। ১২টি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে প্রায় ১৮০ ফুট প্রশস্ত বমু খাল। খালের ওপর নেই কোনো সেতু। ফলে চিনতাবাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হয়ে স্কুলে আসে।বর্ষাকালে পানির স্রোত বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।এদিকে গলাচিপায় রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আর লামায় বমু খালের ওপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এলজিইডি।তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—প্রস্তাব আর আশ্বাসের অপেক্ষা কতদিন? নিরাপদ যোগাযোগের অভাবে আর কতদিন খাল সাঁতরে স্কুলে যেতে হবে শিশুদের?

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
রাস্তা নেই, নেই সেতু কিংবা নিয়মিত নৌযান। তাই একের পর এক খাল সাঁতরে প্রতিদিন স্কুলে যেতে হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের। শীত, বর্ষা কিংবা বসন্ত—বারো মাসই একই দুর্ভোগ। ঝুঁকিপূর্ণ এই যাতায়াতের কারণে অনেক শিক্ষার্থী স্কুলে আসার আগ্রহও হারিয়ে ফেলছে।পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার সদর ইউনিয়নের যোগাযোগবিচ্ছিন্ন চরকারফারমা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র এমনই। স্কুলে যেতে শিক্ষার্থীদের অন্তত পাঁচটি খাল সাঁতরে পাড়ি দিতে হয়। বৃষ্টির দিনে বই-খাতা ভিজে যায়, শরীরও থাকে পানিতে ভেজা। অসুস্থ হয়ে অনেক সময় স্কুলে যাওয়া বন্ধ রাখতে হয় তাদের।স্থানীয়রা জানান, চরকারফারমায় প্রায় ৮০টি পরিবার বসবাস করে। কিন্তু দীর্ঘদিনেও সেখানে তৈরি হয়নি প্রয়োজনীয় সড়ক যোগাযোগ। স্কুলের শিক্ষার্থী কমে যাওয়ার পেছনেও যোগাযোগ সংকটকে দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন, চকরিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যা নাকি আত্মহত্যা তদন্তে পুলিশ
একই চিত্র বান্দরবানের লামা উপজেলার গজালিয়া ইউনিয়নে। ১২টি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে প্রায় ১৮০ ফুট প্রশস্ত বমু খাল। খালের ওপর নেই কোনো সেতু। ফলে চিনতাবাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে খাল পার হয়ে স্কুলে আসে।বর্ষাকালে পানির স্রোত বেড়ে গেলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় দুর্ঘটনা।এদিকে গলাচিপায় রাস্তা নির্মাণে বরাদ্দ পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। আর লামায় বমু খালের ওপর সেতু নির্মাণের প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে এলজিইডি।তবে স্থানীয়দের প্রশ্ন—প্রস্তাব আর আশ্বাসের অপেক্ষা কতদিন? নিরাপদ যোগাযোগের অভাবে আর কতদিন খাল সাঁতরে স্কুলে যেতে হবে শিশুদের?

আপনার মতামত লিখুন