কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাদিয়া জান্নাত নামে ২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। পরিবারের এক পক্ষের দাবি, আত্মহত্যা করেছেন সাদিয়া। অন্য পক্ষের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌরসভার নিরিবিলি আবাসিক এলাকার একটি বাসার বাথরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বাসাটি চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত।নিহত সাদিয়া জান্নাত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুইত্যাখালী এলাকার মৃত নুরুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ সোহেলের স্ত্রী। তিনি স্বামীর সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সাদিয়াকে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, গোবিপ্রবিতে মাসের ব্যবধানে ২ ভিসি পরিবর্তন, নতুন ভিসি ড. মো. সোহেল হাসান
তবে সাদিয়ার মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্বজনদের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন বক্তব্য। নিহতের শাশুড়ির দাবি, সাদিয়া আত্মহত্যা করেছেন।অন্যদিকে, বাবার বাড়ির স্বজনদের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।নিহতের মা জন্নাতুল মাওয়া রুজির অভিযোগ, সাদিয়ার স্বামী চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বিদেশে যাওয়া এবং বাড়ির গেট নির্মাণের জন্য তিন লাখ টাকা প্রয়োজন হয়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ও কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। তার দাবি, সেই বিরোধের জেরেই সাদিয়াকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ বলছে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
বিষয় : আত্মহত্যা ঝুলন্ত মরদেহ তদন্তে পুলিশ

বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাদিয়া জান্নাত নামে ২২ বছর বয়সী এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে রহস্য। পরিবারের এক পক্ষের দাবি, আত্মহত্যা করেছেন সাদিয়া। অন্য পক্ষের অভিযোগ, তাকে হত্যা করে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌরসভার নিরিবিলি আবাসিক এলাকার একটি বাসার বাথরুম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। বাসাটি চকরিয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে অবস্থিত।নিহত সাদিয়া জান্নাত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের পুরুইত্যাখালী এলাকার মৃত নুরুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ সোহেলের স্ত্রী। তিনি স্বামীর সঙ্গে ওই বাসায় বসবাস করতেন।পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, মঙ্গলবার পরিবারের সদস্যদের অগোচরে সাদিয়াকে বাথরুমে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পাওয়া যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে চকরিয়া সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
আরও পড়ুন, গোবিপ্রবিতে মাসের ব্যবধানে ২ ভিসি পরিবর্তন, নতুন ভিসি ড. মো. সোহেল হাসান
তবে সাদিয়ার মৃত্যুর কারণ নিয়ে স্বজনদের মধ্যে রয়েছে ভিন্ন বক্তব্য। নিহতের শাশুড়ির দাবি, সাদিয়া আত্মহত্যা করেছেন।অন্যদিকে, বাবার বাড়ির স্বজনদের অভিযোগ, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে আত্মহত্যার ঘটনা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়ে থাকতে পারে।নিহতের মা জন্নাতুল মাওয়া রুজির অভিযোগ, সাদিয়ার স্বামী চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর বিদেশে যাওয়া এবং বাড়ির গেট নির্মাণের জন্য তিন লাখ টাকা প্রয়োজন হয়। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ ও কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। তার দাবি, সেই বিরোধের জেরেই সাদিয়াকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে।চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরিফুর রহমান জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।পুলিশ বলছে, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা—ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন