দৈনিক সংবাদ দিগন্ত
প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন শূন্য, বেড়েছে আরও সাড়ে ৪ লাখের বেশি

রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন শূন্য, বেড়েছে আরও সাড়ে ৪ লাখের বেশি
রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন শূন্য

বিশ্বের অন্যতম বড় শরণার্থী সংকটের ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দমন-পীড়নের মুখে লাখো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিলেও, এই দীর্ঘ সময়ে একজন রোহিঙ্গাকেও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি।জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। কক্সবাজারের ৩৩টি শরণার্থী শিবির ও ভাসানচরে তাদের বড় অংশ বসবাস করছে।২০১৮ ও ২০১৯ সালে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা না থাকায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।

আর ও পড়ুন, কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, উদ্বোধন অক্টোবরে

 বর্তমানে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সশস্ত্র সংঘাতও প্রত্যাবাসনের পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ নয় বছরে প্রচলিত কূটনৈতিক উদ্যোগ কাঙ্ক্ষিত ফল না দেওয়ায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এখন প্রয়োজন নতুন কৌশল ও কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ।দীর্ঘদিন ধরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর চাপ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ জরুরি সেবাগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।রোহিঙ্গাদেরও একটাই দাবি—নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং ভিটেমাটির অধিকার নিশ্চিত হলে তারা মর্যাদার সঙ্গে নিজেদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান।

আপনার মতামত লিখুন

পরবর্তী খবর
দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬


রোহিঙ্গা ঢলের ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন শূন্য, বেড়েছে আরও সাড়ে ৪ লাখের বেশি

প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬

featured Image

বিশ্বের অন্যতম বড় শরণার্থী সংকটের ৯ বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দমন-পীড়নের মুখে লাখো রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিলেও, এই দীর্ঘ সময়ে একজন রোহিঙ্গাকেও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাবাসন করা সম্ভব হয়নি।জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা ইউএনএইচসিআরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১২ লাখের বেশি। কক্সবাজারের ৩৩টি শরণার্থী শিবির ও ভাসানচরে তাদের বড় অংশ বসবাস করছে।২০১৮ ও ২০১৯ সালে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা না থাকায় তা বাস্তবায়ন হয়নি।

আর ও পড়ুন, কক্সবাজার থেকে সরাসরি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, উদ্বোধন অক্টোবরে

 বর্তমানে রাখাইনের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং সশস্ত্র সংঘাতও প্রত্যাবাসনের পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘ নয় বছরে প্রচলিত কূটনৈতিক উদ্যোগ কাঙ্ক্ষিত ফল না দেওয়ায় রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এখন প্রয়োজন নতুন কৌশল ও কার্যকর আন্তর্জাতিক চাপ।দীর্ঘদিন ধরে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও জাতীয় নিরাপত্তার ওপর চাপ বাড়ছে। আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় খাদ্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষাসহ জরুরি সেবাগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।রোহিঙ্গাদেরও একটাই দাবি—নিরাপত্তা, নাগরিকত্ব, জাতিগত পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং ভিটেমাটির অধিকার নিশ্চিত হলে তারা মর্যাদার সঙ্গে নিজেদের দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চান।


দৈনিক সংবাদ দিগন্ত

সম্পাদক ও প্রকাশক: এ বি এম মনিরুজ্জামান 
নির্বাহী সম্পাদক: রিপন রুদ্র
যুগ্ম সম্পাদক: জাকিয়া সুলতানা (লাভলী)

কপিরাইট © ২০২৬ দৈনিক সংবাদ দিগন্ত । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত