পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ চিয়া সিড এখন অনেকের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অংশ। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, উদ্ভিজ্জ আমিষ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩। সকালে পানিতে ভিজিয়ে পরিমিত পরিমাণে চিয়া সিড খেলে শরীরের নানা উপকার হতে পারে।চিয়া সিডে থাকা উচ্চমাত্রার আঁশ হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও আঁশযুক্ত খাবার উপকারী।পানিতে ভিজলে চিয়া সিড ফুলে ওঠে। ফলে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করতে পারে। এতে ঘন ঘন খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।পানিতে ভিজিয়ে চিয়া সিড খেলে শরীরে অতিরিক্ত তরলও যায়। তাই পর্যাপ্ত পানি পানের সঙ্গে এটি শরীরের স্বাভাবিক পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
আরও পড়ুন, পুষ্টিগুণে ভরপুর ড্রাগন ফল, তবু যাদের খেতে হবে সতর্ক হয়ে
চিয়া সিডে থাকা উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি এর আঁশ খাবার হজম ও শর্করা শোষণের গতি ধীর করতে সহায়তা করায় রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখতে পারে।এ ছাড়া চিয়া সিডে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।সাধারণত এক থেকে দুই চা-চামচ চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ পর খাওয়া যায়। তবে শুকনো চিয়া সিড একসঙ্গে বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। এতে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।অতিরিক্ত চিয়া সিড খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করে শরীরের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করাই ভালো। আর ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
বিষয় : চিয়া সিড খাদ্যতালিকা হজমপ্রক্রিয়া

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ চিয়া সিড এখন অনেকের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকার অংশ। এতে রয়েছে প্রচুর আঁশ, উদ্ভিজ্জ আমিষ, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩। সকালে পানিতে ভিজিয়ে পরিমিত পরিমাণে চিয়া সিড খেলে শরীরের নানা উপকার হতে পারে।চিয়া সিডে থাকা উচ্চমাত্রার আঁশ হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে। পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতেও আঁশযুক্ত খাবার উপকারী।পানিতে ভিজলে চিয়া সিড ফুলে ওঠে। ফলে এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখতে সহায়তা করতে পারে। এতে ঘন ঘন খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমানো এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।পানিতে ভিজিয়ে চিয়া সিড খেলে শরীরে অতিরিক্ত তরলও যায়। তাই পর্যাপ্ত পানি পানের সঙ্গে এটি শরীরের স্বাভাবিক পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হতে পারে।
আরও পড়ুন, পুষ্টিগুণে ভরপুর ড্রাগন ফল, তবু যাদের খেতে হবে সতর্ক হয়ে
চিয়া সিডে থাকা উদ্ভিজ্জ ওমেগা-৩ হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী হতে পারে। পাশাপাশি এর আঁশ খাবার হজম ও শর্করা শোষণের গতি ধীর করতে সহায়তা করায় রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণেও ভূমিকা রাখতে পারে।এ ছাড়া চিয়া সিডে থাকা ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও উদ্ভিজ্জ আমিষ প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়ক হতে পারে।সাধারণত এক থেকে দুই চা-চামচ চিয়া সিড পানিতে ভিজিয়ে কিছুক্ষণ পর খাওয়া যায়। তবে শুকনো চিয়া সিড একসঙ্গে বেশি পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। এতে গলায় আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।অতিরিক্ত চিয়া সিড খেলে গ্যাস, পেট ফাঁপা বা অস্বস্তি হতে পারে। তাই অল্প পরিমাণ দিয়ে শুরু করে শরীরের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পরিমাণ নির্ধারণ করাই ভালো। আর ডায়াবেটিস বা অন্য কোনো স্বাস্থ্যগত সমস্যা থাকলে খাদ্যাভ্যাসে বড় পরিবর্তনের আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আপনার মতামত লিখুন