পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল হিসেবে ড্রাগন ফলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। এতে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তবে পুষ্টিকর হলেও সবার জন্য ড্রাগন ফল সমানভাবে নিরাপদ নয়।বিশেষ করে অ্যালার্জি, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এই ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।ড্রাগন ফল খাওয়ার পর কারও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা আমবাত, অতিরিক্ত চুলকানি কিংবা ঠোঁট, জিহ্বা ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ফলটি খাওয়া বন্ধ করে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ডায়াবেটিস রোগীদেরও অতিরিক্ত ড্রাগন ফল না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা রক্তে শর্করা কমানোর ওষুধ খান বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে কতটুকু ড্রাগন ফল খাওয়া নিরাপদ, তা চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো।
আরও পড়ুন, সকালে খালি পেটে লেবু পানি: উপকার যেমন আছে, সতর্কতাও জরুরি
অন্যদিকে কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে। তাই ড্রাগন ফলে থাকা পটাশিয়ামের পরিমাণও বিবেচনায় নিতে হয়।তবে কিডনি রোগীদের একেবারেই ড্রাগন ফল খাওয়া যাবে না—এমন নয়। রোগের ধরন, রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা ও ওষুধের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন।গর্ভবতী নারী ও স্তন্যদানকারী মায়েরাও পরিমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খেতে পারেন। তবে একসঙ্গে অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।অর্থাৎ, শারীরিক জটিলতা না থাকলে পরিমিত ড্রাগন ফল খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু অ্যালার্জি, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমস্যা থাকলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।
বিষয় : জনপ্রিয়তা ড্রাগন ফল পুষ্টিগুণে

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
পুষ্টিগুণে ভরপুর ফল হিসেবে ড্রাগন ফলের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। এতে ভিটামিন সি, ফাইবার, আয়রন, ম্যাগনেশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। তবে পুষ্টিকর হলেও সবার জন্য ড্রাগন ফল সমানভাবে নিরাপদ নয়।বিশেষ করে অ্যালার্জি, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের এই ফল খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।ড্রাগন ফল খাওয়ার পর কারও শরীরে লালচে ফুসকুড়ি বা আমবাত, অতিরিক্ত চুলকানি কিংবা ঠোঁট, জিহ্বা ও গলা ফুলে যাওয়ার মতো উপসর্গ দেখা দিলে অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে ফলটি খাওয়া বন্ধ করে প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ডায়াবেটিস রোগীদেরও অতিরিক্ত ড্রাগন ফল না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যারা রক্তে শর্করা কমানোর ওষুধ খান বা ইনসুলিন ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে রক্তে শর্করা অতিরিক্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে। তাই ডায়াবেটিস থাকলে কতটুকু ড্রাগন ফল খাওয়া নিরাপদ, তা চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের কাছ থেকে জেনে নেওয়া ভালো।
আরও পড়ুন, সকালে খালি পেটে লেবু পানি: উপকার যেমন আছে, সতর্কতাও জরুরি
অন্যদিকে কিডনি রোগীদের ক্ষেত্রেও সতর্কতা প্রয়োজন। কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হতে পারে। তাই ড্রাগন ফলে থাকা পটাশিয়ামের পরিমাণও বিবেচনায় নিতে হয়।তবে কিডনি রোগীদের একেবারেই ড্রাগন ফল খাওয়া যাবে না—এমন নয়। রোগের ধরন, রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা ও ওষুধের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসক পরিমাণ নির্ধারণ করতে পারেন।গর্ভবতী নারী ও স্তন্যদানকারী মায়েরাও পরিমিত পরিমাণে ড্রাগন ফল খেতে পারেন। তবে একসঙ্গে অতিরিক্ত খাওয়া ঠিক নয়।অর্থাৎ, শারীরিক জটিলতা না থাকলে পরিমিত ড্রাগন ফল খাওয়া যেতে পারে। কিন্তু অ্যালার্জি, ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ বা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমস্যা থাকলে নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ।

আপনার মতামত লিখুন