মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি এলাকায় ঝোপের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহের ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিহত নারীর ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয়। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়।
আারও পড়ুন, মনিরামপুরের সন্তান আলীম এখন জাতিসংঘের ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’
তদন্তে বেরিয়ে আসে, ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা এক বছরের শিশুকেও নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালাহ উদ্দিন কাদের জানান, এটি একটি ক্লুলেস হত্যা মামলা ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার এবং নিহতের ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।তিনি আরও বলেন, মাদারীপুর জেলা পুলিশ হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে সর্বদা তৎপর রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বিষয় : নারী হত্যা রহস্য উদঘাটন ক্লুলেস লাশ

শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার মাদবরচর ইউনিয়নের বাখরেরকান্দি এলাকায় ঝোপের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় নারীর মরদেহের ক্লুলেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। একই সঙ্গে নিহত নারীর ব্যবহৃত বিভিন্ন আলামতও উদ্ধার করা হয়েছে।পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় শনাক্ত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তৎপরতা চালানো হয়। তদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে একজনকে শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়।
আারও পড়ুন, মনিরামপুরের সন্তান আলীম এখন জাতিসংঘের ‘ডেপুটি চিফ অব ক্যাবিনেট’
তদন্তে বেরিয়ে আসে, ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। পরে তার সঙ্গে থাকা এক বছরের শিশুকেও নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।এ বিষয়ে শিবচর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সালাহ উদ্দিন কাদের জানান, এটি একটি ক্লুলেস হত্যা মামলা ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা তৎপরতার মাধ্যমে দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার রহস্য উদঘাটন, আসামি গ্রেফতার এবং নিহতের ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।তিনি আরও বলেন, মাদারীপুর জেলা পুলিশ হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ সব ধরনের অপরাধ দমনে সর্বদা তৎপর রয়েছে। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন