গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো অব্যাহত থাকলে গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইল।রোববার গাজা সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ সতর্কবার্তা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ১০টি ঘুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বিভিন্ন এলাকায় চারটি ঘুড়ি পাওয়া যায়। রোববার আরও একটি ঘুড়ি গুলি করে নামায় ইসরাইলি সেনারা।ইসরাইলের দাবি, এসব উড়ন্ত বস্তুর পেছনে হামাসের হাত থাকতে পারে। যদিও ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হামাস।ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সাম্প্রতিক ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এসব ঘুড়িতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন. সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
তবে ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতেই এগুলো পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির সামরিক বাহিনী।নেতানিয়াহু ও কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো বন্ধ না হলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।এমনকি যেসব এলাকা থেকে এসব উড়ন্ত বস্তু পাঠানো হচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ইসরাইল।এরই মধ্যে কয়েক বছর আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে। সে সময় গাজা থেকে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো হতো। এতে দক্ষিণ ইসরাইলের কৃষিজমিতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।তবে হামাস বলছে, এসব ঘুড়ি গাজা থেকে শিশুরাই উড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শৈশব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা থেকেই তারা এসব করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।একই সঙ্গে হামাস অভিযোগ করেছে, ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনাকে মধ্য গাজায় বিমান হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী সংস্থার দাবি, রোববারের ওই বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।ফলে ঘুড়ি, বেলুন ও ড্রোন ঘিরে নতুন করে গাজা-ইসরাইল সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
গাজা থেকে ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো অব্যাহত থাকলে গাজায় সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরাইল।রোববার গাজা সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ সতর্কবার্তা দেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ।ইসরাইলি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক দিনে গাজা সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ১০টি ঘুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে শনিবার বিভিন্ন এলাকায় চারটি ঘুড়ি পাওয়া যায়। রোববার আরও একটি ঘুড়ি গুলি করে নামায় ইসরাইলি সেনারা।ইসরাইলের দাবি, এসব উড়ন্ত বস্তুর পেছনে হামাসের হাত থাকতে পারে। যদিও ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানোর অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে হামাস।ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, সাম্প্রতিক ঘটনায় উদ্ধার হওয়া এসব ঘুড়িতে কোনো বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন. সংঘাত থামাতে চায় ইরান চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
তবে ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া যাচাই করতেই এগুলো পাঠানো হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির সামরিক বাহিনী।নেতানিয়াহু ও কাটজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, ইসরাইলের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন ও বেলুন পাঠানো বন্ধ না হলে এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হবে।এমনকি যেসব এলাকা থেকে এসব উড়ন্ত বস্তু পাঠানো হচ্ছে, সেসব এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার কথাও জানিয়েছে ইসরাইল।এরই মধ্যে কয়েক বছর আগের স্মৃতি ফিরে এসেছে। সে সময় গাজা থেকে আগুন ধরিয়ে দিতে সক্ষম ঘুড়ি ও বেলুন পাঠানো হতো। এতে দক্ষিণ ইসরাইলের কৃষিজমিতে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।তবে হামাস বলছে, এসব ঘুড়ি গাজা থেকে শিশুরাই উড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শৈশব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা থেকেই তারা এসব করেছে বলে দাবি সংগঠনটির।একই সঙ্গে হামাস অভিযোগ করেছে, ঘুড়ি ওড়ানোর ঘটনাকে মধ্য গাজায় বিমান হামলার অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে ইসরাইল।গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও উদ্ধারকারী সংস্থার দাবি, রোববারের ওই বিমান হামলায় তিনজন নিহত হয়েছেন।ফলে ঘুড়ি, বেলুন ও ড্রোন ঘিরে নতুন করে গাজা-ইসরাইল সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন