মাদকের টাকার জন্য মা-বাবা ও স্ত্রী-সন্তানকে মারধর করে ঘরছাড়া করার অভিযোগে সুমন মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এর আগে, গতকাল সোমবার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌরসভার নন্দীবাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিত মা বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করার পর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার সুমন নন্দীবাড়ি সীসার মোড় এলাকার আবদুল মালেক ও সমলা খাতুনের ছেলে।পরিবারের সদস্যরা জানান, সুমন একসময় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।গত চার বছর ধরে তিনি ইয়াবা সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে পরিবারের অভিযোগ।
আরও পড়ুন, কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় দাদী-নাতনির মর্মান্তিক মৃত্যু
নেশার টাকা জোগাড় করতে প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করতেন তিনি।নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় ছয় মাস আগে সুমনের স্ত্রী-সন্তান এবং তিন মাস আগে তাঁর বৃদ্ধ মা-বাবা বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তাঁরা অন্য ছেলের ভাড়া বাসায় আশ্রয় নেন।সুমনের মা সমলা খাতুন বলেন, ‘ইয়াবার কারণে ছেলেটা বদলে গেছে। বাধ্য হয়ে নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুর ইসলাম জানান, সুমনের বিরুদ্ধে আগেও মাদকের মামলা ছিল। জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। আজ আদালতের মাধ্যমে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বিষয় : যুবক গ্রেপ্তার মা-বাবা মাদকের টাকা

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
মাদকের টাকার জন্য মা-বাবা ও স্ত্রী-সন্তানকে মারধর করে ঘরছাড়া করার অভিযোগে সুমন মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।এর আগে, গতকাল সোমবার ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা পৌরসভার নন্দীবাড়ি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। নির্যাতিত মা বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করার পর পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।গ্রেপ্তার সুমন নন্দীবাড়ি সীসার মোড় এলাকার আবদুল মালেক ও সমলা খাতুনের ছেলে।পরিবারের সদস্যরা জানান, সুমন একসময় ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করতেন।গত চার বছর ধরে তিনি ইয়াবা সেবন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন বলে পরিবারের অভিযোগ।
আরও পড়ুন, কুমিল্লায় ট্রেনের ধাক্কায় দাদী-নাতনির মর্মান্তিক মৃত্যু
নেশার টাকা জোগাড় করতে প্রায়ই পরিবারের সদস্যদের মারধর এবং ঘরের বিভিন্ন জিনিসপত্র বিক্রি করতেন তিনি।নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে প্রায় ছয় মাস আগে সুমনের স্ত্রী-সন্তান এবং তিন মাস আগে তাঁর বৃদ্ধ মা-বাবা বাড়ি ছাড়তে বাধ্য হন। পরে তাঁরা অন্য ছেলের ভাড়া বাসায় আশ্রয় নেন।সুমনের মা সমলা খাতুন বলেন, ‘ইয়াবার কারণে ছেলেটা বদলে গেছে। বাধ্য হয়ে নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে মামলা করেছি।’ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মুক্তাগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুর ইসলাম জানান, সুমনের বিরুদ্ধে আগেও মাদকের মামলা ছিল। জামিনে বের হয়ে তিনি আবারও একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েন। আজ আদালতের মাধ্যমে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন