ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি।দীনেশ ত্রিবেদী বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে জেনারেল ধীরাজ শেঠ চলতি বছরের ৩০ জুন ভারতের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।এর আগে মঙ্গলবারই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার রাতে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লি যাওয়ার পর তিনি মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
আরও পড়ুন, রামপালে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে একনেকে প্রকল্প প্রস্তাব তারেক রহমানের
ওই বৈঠক নিয়েও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। গত ৩ অক্টোবর দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না বলে মন্তব্য করেন। তিনি পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ধারাবাহিক সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এর আগে গত ১১ আগস্টও নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সঙ্গে তার ধারাবাহিক বৈঠক বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এসব বৈঠকে কী কী নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা সমঝোতা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
বিষয় : বৈঠক ভারতীয় সেনাপ্রধান

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর দেশটির সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানানো হয়, বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও জোরদারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে আলোচনার নির্দিষ্ট বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করা হয়নি।দীনেশ ত্রিবেদী বর্তমানে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে জেনারেল ধীরাজ শেঠ চলতি বছরের ৩০ জুন ভারতের সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীর উপপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।এর আগে মঙ্গলবারই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। সোমবার রাতে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লি যাওয়ার পর তিনি মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
আরও পড়ুন, রামপালে সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে একনেকে প্রকল্প প্রস্তাব তারেক রহমানের
ওই বৈঠক নিয়েও ভারতীয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি।সাম্প্রতিক সময়ে ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। গত ৩ অক্টোবর দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক তৃতীয় কোনো দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না বলে মন্তব্য করেন। তিনি পারস্পরিক সম্মান, সার্বভৌম সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং ধারাবাহিক সংলাপের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।এর আগে গত ১১ আগস্টও নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ফলে অল্প সময়ের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সঙ্গে তার ধারাবাহিক বৈঠক বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তবে এসব বৈঠকে কী কী নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত বা সমঝোতা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন