লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এতে করে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সালিসির সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৫ আগস্ট শনিবার বিজয় কুরী তাঁর জমিতে লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ প্রতিমা রানী গং এতে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করে। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা সেখানে ছুটে যান। ঘটনাটি জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী বাজারের উপকন্ঠে সংখ্যালঘু হিন্দু অধ্যাষিত মালী বাড়ীতে।সুত্রে পাওয়া ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার মালি বাড়ীর মৃত অনিল কুরীর পুত্র বিজয় কুরী ২০২৪ সনে বর্তমান ৮নং রতনপুর মৌজার ১৩০ নং খতিয়ানের ৩২৩০ দাগে মোট ২৪ শতাংশ জমির মধ্যে আট শতাংশ জমি জনৈক আবু তাহের থেকে খরিদ করেন। পরে জমিটি তিনি বালু ভরাট করে দখলদার হয়ে ভোগ করতে থাকেন। হঠাৎ করে গত ১৯ মার্চ রাতের আঁধারে একই বাড়ীর গনেশ ও তাঁর পুত্র আকাশ এবং পুত্র সাগর, স্ত্রী প্রতিমাসহ একই বাড়ীর উজ্জ্বল আরও ভাড়াটে লোকজন নিয়ে ওই জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়ে ঘর করার চেষ্টা করে। তখন বাঁধা দিতে গেলে বিজয় কুরীকে প্রতিপক্ষের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এটি নিয়ে পরে উভয় পক্ষের লোকজন আইন- আদালত করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি সালিশির মাধ্যমে সমাধানের জন্য উভয় পক্ষদ্বয় জেলা হিন্দু, বৈদ্য, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের কাছে যান।
আরও পড়ুন, লামা উপজেলার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পাড়াকেন্দ্র স্কুল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
জেলা হিন্দু- বৈদ্য- খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি শংকর মজুমদার, হিন্দু- বৈদ্য- খৃষ্টান যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা, হিন্দু কমিউনিটির নেতা মানিক সাহা, মান্দারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন বাবলু ও হিন্দু কমিউনিটির নেতা দীলিপ সেন এ বিষয়ে একটি লিখিত সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষকে দেন। ওই সিদ্ধান্ত বিজয় কুরীর পক্ষে যাওয়ায় তিনি তাঁর জমিতে শনিবার সকালে লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে যান। প্রতিপক্ষের প্রতিমা রানীসহ আরো ৩/৪ নারী এসময় বিজয় কুরীর কাজে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্হলে উপস্থিত হলে উভয় পক্ষই ওই জমি নিজেদের বলে দাবী করে। এসময় স্হানীয় লোকজন উভয় পক্ষকে দাবীর পক্ষে কাগজপত্র দেখাতে বললে দুই পক্ষের থেকে কাগজপত্র উপস্হাপন করা হয়। এতে দেখা যায় প্রতিমা রানীর পুত্র সাগর ও তার খালাতো ভাই আকাশ জনৈক আবু কালামের নিকট থেকে একই দাগের ২৪ শতাংশ জমির মধ্যে ৬.৭৫ শতাংশ জমি ২০১৯ সনে ক্রয় করেন। কিন্তু ওই জমিটি বিজয় কুরীর ক্রয় করা জমি থেকে অন্যপাশে। এবং সেখানেই প্রতিমা গংরা বিগত ৬ বছর ওই জমি ভোগ দখলে ছিলেন। হঠাৎ করে গত ১৯ মার্চ সেই জমির দখল ছেড়ে দিয়ে রাতের আঁধারে বিজয় কুরীর খরিদ করা জমি তাঁরা জোরপূর্বক দখল নিতে গেলে বিরোধ দেখা দেয়।বিজয় কুরী বলেন, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সালিশের রায় আমার পক্ষে এলে আমি আমার জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে যাই। এসময় প্রতিপক্ষ প্রতিমা রানী গং জোরপূর্বক বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকরা এসে দেখতে পান আমার শ্রমিকদের কাজে তারা বাঁধা দিয়ে মারধরের চেষ্টা করে।এ বিষয়ে প্রতিমা রানীর নিকট জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের

রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
লক্ষ্মীপুরে জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছে। এতে করে সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সালিসির সিদ্ধান্ত নিয়ে ১৫ আগস্ট শনিবার বিজয় কুরী তাঁর জমিতে লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে গেলে প্রতিপক্ষ প্রতিমা রানী গং এতে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করে। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা সেখানে ছুটে যান। ঘটনাটি জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী বাজারের উপকন্ঠে সংখ্যালঘু হিন্দু অধ্যাষিত মালী বাড়ীতে।সুত্রে পাওয়া ও সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ওই এলাকার মালি বাড়ীর মৃত অনিল কুরীর পুত্র বিজয় কুরী ২০২৪ সনে বর্তমান ৮নং রতনপুর মৌজার ১৩০ নং খতিয়ানের ৩২৩০ দাগে মোট ২৪ শতাংশ জমির মধ্যে আট শতাংশ জমি জনৈক আবু তাহের থেকে খরিদ করেন। পরে জমিটি তিনি বালু ভরাট করে দখলদার হয়ে ভোগ করতে থাকেন। হঠাৎ করে গত ১৯ মার্চ রাতের আঁধারে একই বাড়ীর গনেশ ও তাঁর পুত্র আকাশ এবং পুত্র সাগর, স্ত্রী প্রতিমাসহ একই বাড়ীর উজ্জ্বল আরও ভাড়াটে লোকজন নিয়ে ওই জমি জোরপূর্বক দখলে নিয়ে ঘর করার চেষ্টা করে। তখন বাঁধা দিতে গেলে বিজয় কুরীকে প্রতিপক্ষের লোকজন ঘটনাস্থল থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এটি নিয়ে পরে উভয় পক্ষের লোকজন আইন- আদালত করেন। একপর্যায়ে বিষয়টি সালিশির মাধ্যমে সমাধানের জন্য উভয় পক্ষদ্বয় জেলা হিন্দু, বৈদ্য, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের নেতাদের কাছে যান।
আরও পড়ুন, লামা উপজেলার পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের পাড়াকেন্দ্র স্কুল আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ
জেলা হিন্দু- বৈদ্য- খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের জেলা সভাপতি শংকর মজুমদার, হিন্দু- বৈদ্য- খৃষ্টান যুব ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা, হিন্দু কমিউনিটির নেতা মানিক সাহা, মান্দারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন বাবলু ও হিন্দু কমিউনিটির নেতা দীলিপ সেন এ বিষয়ে একটি লিখিত সিদ্ধান্ত উভয় পক্ষকে দেন। ওই সিদ্ধান্ত বিজয় কুরীর পক্ষে যাওয়ায় তিনি তাঁর জমিতে শনিবার সকালে লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে যান। প্রতিপক্ষের প্রতিমা রানীসহ আরো ৩/৪ নারী এসময় বিজয় কুরীর কাজে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করেন। এতে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্হলে উপস্থিত হলে উভয় পক্ষই ওই জমি নিজেদের বলে দাবী করে। এসময় স্হানীয় লোকজন উভয় পক্ষকে দাবীর পক্ষে কাগজপত্র দেখাতে বললে দুই পক্ষের থেকে কাগজপত্র উপস্হাপন করা হয়। এতে দেখা যায় প্রতিমা রানীর পুত্র সাগর ও তার খালাতো ভাই আকাশ জনৈক আবু কালামের নিকট থেকে একই দাগের ২৪ শতাংশ জমির মধ্যে ৬.৭৫ শতাংশ জমি ২০১৯ সনে ক্রয় করেন। কিন্তু ওই জমিটি বিজয় কুরীর ক্রয় করা জমি থেকে অন্যপাশে। এবং সেখানেই প্রতিমা গংরা বিগত ৬ বছর ওই জমি ভোগ দখলে ছিলেন। হঠাৎ করে গত ১৯ মার্চ সেই জমির দখল ছেড়ে দিয়ে রাতের আঁধারে বিজয় কুরীর খরিদ করা জমি তাঁরা জোরপূর্বক দখল নিতে গেলে বিরোধ দেখা দেয়।বিজয় কুরী বলেন, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সালিশের রায় আমার পক্ষে এলে আমি আমার জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করতে যাই। এসময় প্রতিপক্ষ প্রতিমা রানী গং জোরপূর্বক বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ ও সাংবাদিকরা এসে দেখতে পান আমার শ্রমিকদের কাজে তারা বাঁধা দিয়ে মারধরের চেষ্টা করে।এ বিষয়ে প্রতিমা রানীর নিকট জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যম কর্মীদের

আপনার মতামত লিখুন