মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ আপিল করেছেন। তার আপিলটি আজ আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রয়েছে।২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পলাতক অবস্থায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।এটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া প্রথম রায়।
আরও পড়ুন, প্রথমবার মুখোমুখি তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনার নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।আত্মসমর্পণের সময় জানা যায়, আপিল করার সুযোগ দেওয়ার শর্তে রাষ্ট্রপতি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছিলেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেয়।আজ আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকায় মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করছে।
বিষয় : অপরাধ মৃত্যুদণ্ড আপিল বিভাগ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদ আপিল করেছেন। তার আপিলটি আজ আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় রয়েছে।২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পলাতক অবস্থায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন।এটি ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া প্রথম রায়।
আরও পড়ুন, প্রথমবার মুখোমুখি তারেক রহমান ও ভারতীয় হাইকমিশনার নতুন অধ্যায়ের ইঙ্গিত
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, নির্যাতন ও মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।আত্মসমর্পণের সময় জানা যায়, আপিল করার সুযোগ দেওয়ার শর্তে রাষ্ট্রপতি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর স্থগিত করেছিলেন। এরপর ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেয়।আজ আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকায় মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করছে।

আপনার মতামত লিখুন