নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দামে চরম চাপে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। সীমিত আয়ে চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে সংসার। বাজারে গেলেই আগের তুলনায় বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে, অথচ বাড়ছে না আয়।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ, ডিম ও মাংসসহ বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।ক্রেতাদের অভিযোগ, একই পরিমাণ আয় দিয়ে আগের মতো বাজার করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে খাদ্যতালিকা থেকে কমিয়ে দিচ্ছেন পুষ্টিকর অনেক খাবার।রিকশাচালক, দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, খাবারের খরচের পাশাপাশি বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের পড়াশোনার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছেন।বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। বর্তমানে ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে কেজিপ্রতি প্রায় ২০০ টাকায় উঠেছে।
আরও পড়ুন, বিশ্ব তেল সরবরাহে নতুন শঙ্কা, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে দাম
মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলসহ বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।তবে গরুর মাংসের দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৮০০ টাকায়।ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় চাপ পড়ে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর। তাই বাজার তদারকি জোরদার, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো জরুরি।আয় না বাড়লেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ চান ভোক্তারা।
বিষয় : নিত্যপণ্যের চাপে লাগামহীন নিম্নআয়

শুক্রবার, ০৭ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের লাগামহীন দামে চরম চাপে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ। সীমিত আয়ে চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে সংসার। বাজারে গেলেই আগের তুলনায় বাড়তি টাকা খরচ করতে হচ্ছে, অথচ বাড়ছে না আয়।রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে ঘুরে দেখা গেছে, চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি, মাছ, ডিম ও মাংসসহ বেশিরভাগ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে।ক্রেতাদের অভিযোগ, একই পরিমাণ আয় দিয়ে আগের মতো বাজার করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক পরিবার বাধ্য হয়ে খাদ্যতালিকা থেকে কমিয়ে দিচ্ছেন পুষ্টিকর অনেক খাবার।রিকশাচালক, দিনমজুর ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, খাবারের খরচের পাশাপাশি বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও সন্তানদের পড়াশোনার ব্যয় মেটানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কেউ কেউ ধারদেনা করে সংসার চালাচ্ছেন।বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। বর্তমানে ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে কেজিপ্রতি প্রায় ২০০ টাকায় উঠেছে।
আরও পড়ুন, বিশ্ব তেল সরবরাহে নতুন শঙ্কা, হরমুজ ইস্যুতে বাড়ছে দাম
মাছের বাজারেও স্বস্তি নেই। পাঙাশ, তেলাপিয়া, রুই, কাতলসহ বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত।তবে গরুর মাংসের দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৮০০ টাকায়।ব্যবসায়ীরা বলছেন, টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম বেড়েছে। এর প্রভাব পড়ছে খুচরা বাজারে।অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মূল্যস্ফীতির সবচেয়ে বড় চাপ পড়ে নিম্নআয়ের মানুষের ওপর। তাই বাজার তদারকি জোরদার, সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়ানো জরুরি।আয় না বাড়লেও নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বাড়ছে অনিশ্চয়তা। দ্রুত বাজার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর উদ্যোগ চান ভোক্তারা।

আপনার মতামত লিখুন